০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

শিলিগুড়ির ঐতিহ্য আধ্যাত্মিকতার প্রাণকেন্দ্র শক্তিগড়ের গৌড়ীয় মঠ 

সজল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়, নতুন গতি: শিলিগুড়ির ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিকতার প্রান কেন্দ্র শক্তিগড়ের শ্রী কেশব চন্দ্র গৌড়ীয় মঠ। প্রায় ছয় দশক ধরে এই মঠ উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে ধর্মীয় বিশ্বাস, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক চর্চার এক পরিচিত কেন্দ্র হিসেবে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছে।
শিলিগুড়ির শক্তিগড়ে অবস্থিত শ্রী কেশব চন্দ্র গৌড়ীয় মঠ উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন গৌড়ীয় বৈষ্ণব মঠ হিসেবে দীর্ঘ প্রায় ছয় দশক ধরে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।
সময়ের সঙ্গে শিলিগুড়ি শহর বদলেছে, বেড়েছে জনসংখ্যা, বদলেছে শহরের পরিধি—কিন্তু শক্তিগড়ের এই মঠ আজও ধরে রেখেছে তার ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা ও ঐতিহ্যের আবহ। মঠে নিয়মিত প্রার্থনা, নামসংকীর্তন ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ড ঘিরে ভক্তদের সমাগম হয়।
শুধু একটি উপাসনাস্থল নয়, শ্রী কেশব চন্দ্র গৌড়ীয় মঠ উত্তরবঙ্গের বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বহু মানুষ এই মঠের সঙ্গে নিজেদের বিশ্বাস ও আবেগকে জড়িয়ে রেখেছেন।
শিলিগুড়ির ব্যস্ত শহুরে জীবনের মাঝেও শক্তিগড়ের এই মঠ যেন এক শান্ত, নির্মল ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের ঠিকানা। ছয় দশকের পথ পেরিয়ে আজও ভক্তি ও ঐতিহ্যের সেই ধারা অব্যাহত। ৬০ বছরের ঐতিহ্য আজও ভক্তির আলোয় উজ্জ্বল শ্রী কেশব চন্দ্র গৌড়ীয় মঠ।
সর্বাধিক পাঠিত

ভারতে থাকা তামিল শরণার্থীদের দেশে ফেরার পথ সহজ করল শ্রীলঙ্কা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিলিগুড়ির ঐতিহ্য আধ্যাত্মিকতার প্রাণকেন্দ্র শক্তিগড়ের গৌড়ীয় মঠ 

আপডেট : ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার
সজল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়, নতুন গতি: শিলিগুড়ির ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিকতার প্রান কেন্দ্র শক্তিগড়ের শ্রী কেশব চন্দ্র গৌড়ীয় মঠ। প্রায় ছয় দশক ধরে এই মঠ উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে ধর্মীয় বিশ্বাস, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক চর্চার এক পরিচিত কেন্দ্র হিসেবে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছে।
শিলিগুড়ির শক্তিগড়ে অবস্থিত শ্রী কেশব চন্দ্র গৌড়ীয় মঠ উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন গৌড়ীয় বৈষ্ণব মঠ হিসেবে দীর্ঘ প্রায় ছয় দশক ধরে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।
সময়ের সঙ্গে শিলিগুড়ি শহর বদলেছে, বেড়েছে জনসংখ্যা, বদলেছে শহরের পরিধি—কিন্তু শক্তিগড়ের এই মঠ আজও ধরে রেখেছে তার ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা ও ঐতিহ্যের আবহ। মঠে নিয়মিত প্রার্থনা, নামসংকীর্তন ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ড ঘিরে ভক্তদের সমাগম হয়।
শুধু একটি উপাসনাস্থল নয়, শ্রী কেশব চন্দ্র গৌড়ীয় মঠ উত্তরবঙ্গের বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বহু মানুষ এই মঠের সঙ্গে নিজেদের বিশ্বাস ও আবেগকে জড়িয়ে রেখেছেন।
শিলিগুড়ির ব্যস্ত শহুরে জীবনের মাঝেও শক্তিগড়ের এই মঠ যেন এক শান্ত, নির্মল ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের ঠিকানা। ছয় দশকের পথ পেরিয়ে আজও ভক্তি ও ঐতিহ্যের সেই ধারা অব্যাহত। ৬০ বছরের ঐতিহ্য আজও ভক্তির আলোয় উজ্জ্বল শ্রী কেশব চন্দ্র গৌড়ীয় মঠ।