২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

আবাসের আবেদন করেও মেলেনি ঘর, বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ল দেওয়াল; জখম ৫

সৈয়দ মফিজুল হোদা, সোনামুখী: লাগাতার বৃষ্টিতে কাঁচা ইটের দেওয়াল ধসে একই পরিবারের দুই নাবালিকা-সহ পাঁচজন জখম হয়েছেন। অভিযোগ, আবাস প্রকল্পে বাড়ির জন্য বারবার আবেদন জানিয়েও মেলেনি সরকারি ঘর। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার সোনামুখী শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাজপুত কালীতলা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাঠমিস্ত্রি সনৎ বাউরী মাটি ও ইটের দেওয়াল এবং জরাজীর্ণ টিনের ছাউনি দেওয়া বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। পরিবারের দাবি, আবাস প্রকল্পে বাড়ির জন্য তৎকালীন কাউন্সিলর তথা স্থানীয় বিধায়ক দিপালী সাহার কাছে একাধিকবার আবেদন করা হয়েছিল। পুরসভা থেকে ব্লক স্তরেও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ, বারবার আবেদন সত্ত্বেও মেলেনি আবাসের সুবিধা।
নিম্নচাপের জেরে গত তিন দিন ধরে সোনামুখী-সহ বাঁকুড়ায় দফায় দফায় বৃষ্টি চলছে। গতকাল গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকার সময় আচমকাই বাড়ির একটি দেওয়াল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে সনৎ বাউরীর মা, বোন, পিসি ও দুই নাবালিকা মেয়ের উপর। শব্দ শুনে সনৎ ও তাঁর স্ত্রী এবং প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে পাঁচজনকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের সোনামুখী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, সময়মতো আবাসের ঘর পেলে এই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।

বন্ধ পাঠশালা, মুখ শুকনো কাঞ্চনদের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আবাসের আবেদন করেও মেলেনি ঘর, বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ল দেওয়াল; জখম ৫

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার

সৈয়দ মফিজুল হোদা, সোনামুখী: লাগাতার বৃষ্টিতে কাঁচা ইটের দেওয়াল ধসে একই পরিবারের দুই নাবালিকা-সহ পাঁচজন জখম হয়েছেন। অভিযোগ, আবাস প্রকল্পে বাড়ির জন্য বারবার আবেদন জানিয়েও মেলেনি সরকারি ঘর। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার সোনামুখী শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাজপুত কালীতলা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাঠমিস্ত্রি সনৎ বাউরী মাটি ও ইটের দেওয়াল এবং জরাজীর্ণ টিনের ছাউনি দেওয়া বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। পরিবারের দাবি, আবাস প্রকল্পে বাড়ির জন্য তৎকালীন কাউন্সিলর তথা স্থানীয় বিধায়ক দিপালী সাহার কাছে একাধিকবার আবেদন করা হয়েছিল। পুরসভা থেকে ব্লক স্তরেও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ, বারবার আবেদন সত্ত্বেও মেলেনি আবাসের সুবিধা।
নিম্নচাপের জেরে গত তিন দিন ধরে সোনামুখী-সহ বাঁকুড়ায় দফায় দফায় বৃষ্টি চলছে। গতকাল গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকার সময় আচমকাই বাড়ির একটি দেওয়াল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে সনৎ বাউরীর মা, বোন, পিসি ও দুই নাবালিকা মেয়ের উপর। শব্দ শুনে সনৎ ও তাঁর স্ত্রী এবং প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে পাঁচজনকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের সোনামুখী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, সময়মতো আবাসের ঘর পেলে এই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।