১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার ঘটনার তদন্তে নেমে একজন আইএসএফ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার ঘটনার তদন্তে নেমে এক জন আইএসএফ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে ধরা হয় ভাঙড়ের কাশীপুর থানা এলাকার পূর্ব কাঁঠালিয়া থেকে। পুলিশ জানায়, ধৃতের নাম করিম মোল্লা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগের দিন, ৭ জুলাই নির্বাচনী প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার সময়ে তৃণমূল কর্মী মোসলেম শেখকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে আইএসএফের বিরুদ্ধে। পরে তাঁকে সঙ্কটজনক অবস্থায় কলকাতার ইএম বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৫ জুলাই হাসপাতালে মৃত্যু হয় মোসলেমের। ঘটনার পরে কাশীপুর থানায় খুনের মামলা রুজু করেন নিহতের স্ত্রী ছালেহা বিবি। এই ঘটনায় পলাতক ছিলেন করিম-সহ অন্যেরা। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি ফিরতেই পুলিশ করিমকে গ্রেফতার করে। ধৃতকে জেরা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজ করছে পুলিশ।

আইএসএফের ভাঙড়-২ ব্লক সভাপতি রাইনুর হক এই ঘটনার বিষয়ে বলেন, ‘‘পুলিশ নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করছে না। পঞ্চায়েত ভোটে আমাদের দলেরও চার জন কর্মী খুন হয়েছেন। অনেকে আহত হন। অথচ, পুলিশ তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও রকম ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা এলাকায় জনসংযোগ শুরু করায় পুলিশ আমাদের কর্মীদের অন্যায় ভাবে ধরছে।’’ এ বিষয়ে তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদের সদস্য হাকিমুল ইসলাম বলেন, ‘‘পুলিশকে সাধুবাদ জানাব। দেরিতে হলেও অপরাধী ধরা পড়েছে। পুলিশকে অনুরোধ, মোসলেম শেখকে খুনের ঘটনায় জড়িত অন্য অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।’’

সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মহিলা ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার ঘটনার তদন্তে নেমে একজন আইএসএফ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

আপডেট : ৪ নভেম্বর ২০২৩, শনিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার ঘটনার তদন্তে নেমে এক জন আইএসএফ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে ধরা হয় ভাঙড়ের কাশীপুর থানা এলাকার পূর্ব কাঁঠালিয়া থেকে। পুলিশ জানায়, ধৃতের নাম করিম মোল্লা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগের দিন, ৭ জুলাই নির্বাচনী প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার সময়ে তৃণমূল কর্মী মোসলেম শেখকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে আইএসএফের বিরুদ্ধে। পরে তাঁকে সঙ্কটজনক অবস্থায় কলকাতার ইএম বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৫ জুলাই হাসপাতালে মৃত্যু হয় মোসলেমের। ঘটনার পরে কাশীপুর থানায় খুনের মামলা রুজু করেন নিহতের স্ত্রী ছালেহা বিবি। এই ঘটনায় পলাতক ছিলেন করিম-সহ অন্যেরা। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি ফিরতেই পুলিশ করিমকে গ্রেফতার করে। ধৃতকে জেরা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজ করছে পুলিশ।

আইএসএফের ভাঙড়-২ ব্লক সভাপতি রাইনুর হক এই ঘটনার বিষয়ে বলেন, ‘‘পুলিশ নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করছে না। পঞ্চায়েত ভোটে আমাদের দলেরও চার জন কর্মী খুন হয়েছেন। অনেকে আহত হন। অথচ, পুলিশ তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও রকম ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা এলাকায় জনসংযোগ শুরু করায় পুলিশ আমাদের কর্মীদের অন্যায় ভাবে ধরছে।’’ এ বিষয়ে তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদের সদস্য হাকিমুল ইসলাম বলেন, ‘‘পুলিশকে সাধুবাদ জানাব। দেরিতে হলেও অপরাধী ধরা পড়েছে। পুলিশকে অনুরোধ, মোসলেম শেখকে খুনের ঘটনায় জড়িত অন্য অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।’’