১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

ভূতনির পর কালিয়াচকেও বন্যা, জলবন্দি২ লক্ষ বন্যা পরিদর্শনে মন্ত্রী 

মালদা: গঙ্গার জল বাড়ায় ভূতনির পাশাপাশি এবার বানভাসি কালিয়াচক-৩ ব্লকের বৈষ্ণবনগর এলাকার নদীতীরবর্তী বিস্তীর্ণ গ্রাম। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্লকের প্রায় ছ’টি অঞ্চলের ২০০টি গ্রাম জলমগ্ন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পারদেওনাপুর ও শোভাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা। রাস্তার উপর দিয়ে বইছে জল, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রায় ১৫-২০ দিন ধরে জলবন্দি বহু মানুষ। কার্যত প্রায় দু’লক্ষ মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। নৌকাই এখন একমাত্র ভরসা।
এই পরিস্থিতিতে বানভাসি এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের সেচ দপ্তর ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বৈষ্ণবনগরের বিধায়ক রাজু কর্মকার, দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী, কালিয়াচক-৩ ব্লকের বিডিও, বৈষ্ণবনগর থানার আইসি এবং সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা।
নৌকায় করে যাওয়ার সময় জুয়েল মুর্মু সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে জলমগ্ন এলাকার পরিস্থিতি ও মানচিত্র নিয়ে আলোচনা করেন। পরে নৌকা থেকে নেমে বানভাসি বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন।
মন্ত্রী জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকায় সরকারি নৌকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্গতদের জন্য খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিধায়ক রাজু কর্মকার বলেন, মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সমস্যা সমাধানের সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে।

সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মহিলা ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভূতনির পর কালিয়াচকেও বন্যা, জলবন্দি২ লক্ষ বন্যা পরিদর্শনে মন্ত্রী 

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার
মালদা: গঙ্গার জল বাড়ায় ভূতনির পাশাপাশি এবার বানভাসি কালিয়াচক-৩ ব্লকের বৈষ্ণবনগর এলাকার নদীতীরবর্তী বিস্তীর্ণ গ্রাম। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্লকের প্রায় ছ’টি অঞ্চলের ২০০টি গ্রাম জলমগ্ন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পারদেওনাপুর ও শোভাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা। রাস্তার উপর দিয়ে বইছে জল, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রায় ১৫-২০ দিন ধরে জলবন্দি বহু মানুষ। কার্যত প্রায় দু’লক্ষ মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। নৌকাই এখন একমাত্র ভরসা।
এই পরিস্থিতিতে বানভাসি এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের সেচ দপ্তর ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বৈষ্ণবনগরের বিধায়ক রাজু কর্মকার, দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী, কালিয়াচক-৩ ব্লকের বিডিও, বৈষ্ণবনগর থানার আইসি এবং সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা।
নৌকায় করে যাওয়ার সময় জুয়েল মুর্মু সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে জলমগ্ন এলাকার পরিস্থিতি ও মানচিত্র নিয়ে আলোচনা করেন। পরে নৌকা থেকে নেমে বানভাসি বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন।
মন্ত্রী জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকায় সরকারি নৌকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্গতদের জন্য খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিধায়ক রাজু কর্মকার বলেন, মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সমস্যা সমাধানের সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে।