০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

হাবড়া থানার ব্যারাকে এসআই-এর ঝুলন্ত দেহ, রহস্য

হাবড়া: হাবড়া থানার ব্যারাক থেকে এক পুলিশ অফিসারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম বিশ্বনাথ সেন। তিনি বারাসাত জেলা পুলিশের অধীনে হাবড়া থানায় এসআই পদে কর্মরত ছিলেন।
জানা গিয়েছে, সোমবার বারাসাত আদালতে তাঁর যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকাল থেকে থানার চত্বরে তাঁকে দেখতে না পেয়ে সহকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তাঁর মোবাইলে ফোন করেও কোনও সাড়া না মেলায় শুরু হয় খোঁজাখুঁজি।
এরপর সহকর্মীরা থানার ব্যারাকে তাঁর ঘরে যান। দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ঘরের ভিতর বিশ্বনাথ সেনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, জানালার সঙ্গে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে বিশ্বনাথ সেনের দেহ বারাসাত মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাবড়া থানার ব্যারাকে এসআই-এর ঝুলন্ত দেহ, রহস্য

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার
হাবড়া: হাবড়া থানার ব্যারাক থেকে এক পুলিশ অফিসারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম বিশ্বনাথ সেন। তিনি বারাসাত জেলা পুলিশের অধীনে হাবড়া থানায় এসআই পদে কর্মরত ছিলেন।
জানা গিয়েছে, সোমবার বারাসাত আদালতে তাঁর যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকাল থেকে থানার চত্বরে তাঁকে দেখতে না পেয়ে সহকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তাঁর মোবাইলে ফোন করেও কোনও সাড়া না মেলায় শুরু হয় খোঁজাখুঁজি।
এরপর সহকর্মীরা থানার ব্যারাকে তাঁর ঘরে যান। দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ঘরের ভিতর বিশ্বনাথ সেনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, জানালার সঙ্গে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে বিশ্বনাথ সেনের দেহ বারাসাত মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।