০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

মেদিনীপুর শহরে ছাত্রকে ডেকে তার হাতে ল্যাপটপ তুলে দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন ভারতী ঘোষ

নিজস্ব সংবাদদাতা : রবিবার বিকেলে মেদিনীপুর শহরে ওই ছাত্রকে ডেকে তার হাতে ল্যাপটপ তুলে দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন ভারতী ঘোষ। ইতি পূর্বেও তার পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন রকমের বই ও নানা সামগ্রী ওই ছাত্রের হাতে তুলে দিয়েছিলেন তিনি। প্রথম বর্ষ থেকেই পড়াশোনার ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিবন্ধকতার জন্য যা সে কিনতে পারছিল না, বিভিন্ন সময়ে সে সমস্ত সামগ্রী দিয়ে উৎসাহিত করেছিলেন তিনি। রবিবার একটি নতুন ল্যাপটপ তার হাতে তুলে দিয়ে পড়াশোনার জন্য উৎসাহিত করেন। সেইসঙ্গে ভবিষ্যতেও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

 

ভারতী ঘোষ বলেন, “ছেলেটি খুবই মেধাবী, কিন্তু প্রতিবন্ধী কৃষক বাবার সামর্থ্য নেই তার এই উচ্চ শ্রেণির পড়াশোনার জন্য সমস্ত সহযোগিতা করার। সহযোগিতার আবেদন করেছিলেন। ইতিপূর্বেও তাকে বিভিন্ন রকম জিনিসপত্র দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে। অঙ্ক নিয়ে পড়াশোনা করতে যে পরিকাঠামো যুক্ত ল্যাপটপের প্রয়োজন সেই ল্যাপটপ পুনরায় তাকে দেওয়া হল। ভবিষ্যতেও সহযোগিতা করা হবে তাকে। এই ধরনের মেধাবীরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক, আরো পাঁচজনকে প্রতিষ্ঠিত হতে সহযোগিতা করুক, আমি সেটা চাই।” ল্যাপটপ পেয়ে খুশি ওই ছাত্র। সে জানায়-” সামান্য একটু জমি চাষ করে সংসার চলে। কিন্তু উচ্চ শ্রেণিতে পড়াশোনা করার মত সামর্থ্য নেই আমাদের। ম্যাডাম ইতিপূর্বেও তাই বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। কিন্তু ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে আটকে গিয়েছিলাম। পুনরায় জানিয়েছিলাম। উনি আমাকে এই ল্যাপটপ দিয়ে উপকার করলেন আবার। আমার পড়াশোনার ক্ষেত্র অনেক বেশি সহজ হয়ে গিয়েছে ম্যাডামের আশীর্বাদে।”

সর্বাধিক পাঠিত

পশ্চিমবঙ্গ আবাসের উপভোক্তাদের জন্য দ্বিতীয় কিস্তির আর্থিক সহায়তা প্রদান শুরু হল রাজনগরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেদিনীপুর শহরে ছাত্রকে ডেকে তার হাতে ল্যাপটপ তুলে দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন ভারতী ঘোষ

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২২, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : রবিবার বিকেলে মেদিনীপুর শহরে ওই ছাত্রকে ডেকে তার হাতে ল্যাপটপ তুলে দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন ভারতী ঘোষ। ইতি পূর্বেও তার পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন রকমের বই ও নানা সামগ্রী ওই ছাত্রের হাতে তুলে দিয়েছিলেন তিনি। প্রথম বর্ষ থেকেই পড়াশোনার ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিবন্ধকতার জন্য যা সে কিনতে পারছিল না, বিভিন্ন সময়ে সে সমস্ত সামগ্রী দিয়ে উৎসাহিত করেছিলেন তিনি। রবিবার একটি নতুন ল্যাপটপ তার হাতে তুলে দিয়ে পড়াশোনার জন্য উৎসাহিত করেন। সেইসঙ্গে ভবিষ্যতেও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

 

ভারতী ঘোষ বলেন, “ছেলেটি খুবই মেধাবী, কিন্তু প্রতিবন্ধী কৃষক বাবার সামর্থ্য নেই তার এই উচ্চ শ্রেণির পড়াশোনার জন্য সমস্ত সহযোগিতা করার। সহযোগিতার আবেদন করেছিলেন। ইতিপূর্বেও তাকে বিভিন্ন রকম জিনিসপত্র দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে। অঙ্ক নিয়ে পড়াশোনা করতে যে পরিকাঠামো যুক্ত ল্যাপটপের প্রয়োজন সেই ল্যাপটপ পুনরায় তাকে দেওয়া হল। ভবিষ্যতেও সহযোগিতা করা হবে তাকে। এই ধরনের মেধাবীরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক, আরো পাঁচজনকে প্রতিষ্ঠিত হতে সহযোগিতা করুক, আমি সেটা চাই।” ল্যাপটপ পেয়ে খুশি ওই ছাত্র। সে জানায়-” সামান্য একটু জমি চাষ করে সংসার চলে। কিন্তু উচ্চ শ্রেণিতে পড়াশোনা করার মত সামর্থ্য নেই আমাদের। ম্যাডাম ইতিপূর্বেও তাই বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। কিন্তু ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে আটকে গিয়েছিলাম। পুনরায় জানিয়েছিলাম। উনি আমাকে এই ল্যাপটপ দিয়ে উপকার করলেন আবার। আমার পড়াশোনার ক্ষেত্র অনেক বেশি সহজ হয়ে গিয়েছে ম্যাডামের আশীর্বাদে।”