০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

ভোটাভুটির অঙ্কে ভেস্তে গেল অনাস্থা, কুশিদা পঞ্চায়েতে বহাল প্রধান শামীমা পারভিন

সফিকুল আলম, হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শামীমা পারভিনের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত সংখ্যার অঙ্কে ভেস্তে গেল। আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজত থেকে আনা বিজেপি সদস্য শঙ্কর চন্দ্র রায় তলবি সভায় উপস্থিত হলেও ভোটাভুটিতে অংশ না নেওয়ায় অনাস্থার পক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হয়নি। ফলে প্রধান পদে বহাল থাকলেন শামীমা পারভিন। কংগ্রেসের নেতৃত্বে আনা এই অনাস্থা প্রস্তাবে তৃণমূল, সিপিএম ও বিজেপির কয়েকজন সদস্যও সমর্থন করেছিলেন। তবে অনাস্থা শিবিরের অভিযোগ, সভাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করার পর এক আধিকারিক শঙ্করকে বাইরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তাঁকে আর সভায় ফিরতে দেওয়া হয়নি। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিও তোলেন তাঁরা। যদিও পুলিশের দাবি, শঙ্কর চন্দ্র রায় নিজেই প্রিসাইডিং অফিসারকে জানান যে তিনি ভোট দিতে চান না। এরপর তাঁকে ফের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েত দফতরের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। প্রধান শামীমা পারভিন বলেন, “ভোট দেওয়া সম্পূর্ণ একজন সদস্যের ব্যক্তিগত অধিকার। তিনি কেন ভোট দেননি, তা আমার জানা নেই।” ফলে আপাতত কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পদে বহাল থাকলেন শামীমা পারভিন।
সর্বাধিক পাঠিত

তরুণীকে তিনদিন ধরে ধর্ষণ তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারের, গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভোটাভুটির অঙ্কে ভেস্তে গেল অনাস্থা, কুশিদা পঞ্চায়েতে বহাল প্রধান শামীমা পারভিন

আপডেট : ৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
সফিকুল আলম, হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শামীমা পারভিনের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত সংখ্যার অঙ্কে ভেস্তে গেল। আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজত থেকে আনা বিজেপি সদস্য শঙ্কর চন্দ্র রায় তলবি সভায় উপস্থিত হলেও ভোটাভুটিতে অংশ না নেওয়ায় অনাস্থার পক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হয়নি। ফলে প্রধান পদে বহাল থাকলেন শামীমা পারভিন। কংগ্রেসের নেতৃত্বে আনা এই অনাস্থা প্রস্তাবে তৃণমূল, সিপিএম ও বিজেপির কয়েকজন সদস্যও সমর্থন করেছিলেন। তবে অনাস্থা শিবিরের অভিযোগ, সভাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করার পর এক আধিকারিক শঙ্করকে বাইরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তাঁকে আর সভায় ফিরতে দেওয়া হয়নি। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিও তোলেন তাঁরা। যদিও পুলিশের দাবি, শঙ্কর চন্দ্র রায় নিজেই প্রিসাইডিং অফিসারকে জানান যে তিনি ভোট দিতে চান না। এরপর তাঁকে ফের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পঞ্চায়েত দফতরের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। প্রধান শামীমা পারভিন বলেন, “ভোট দেওয়া সম্পূর্ণ একজন সদস্যের ব্যক্তিগত অধিকার। তিনি কেন ভোট দেননি, তা আমার জানা নেই।” ফলে আপাতত কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পদে বহাল থাকলেন শামীমা পারভিন।