১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইকোর্টের নির্দেশে সুভাষপল্লিতে বাড়ির অংশ ভাঙল পুরনিগম

শিলিগুড়ি: হাইকোর্টের নির্দেশে শিলিগুড়ির সুভাষপল্লি এলাকায় অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান চালাল শিলিগুড়ি পুরনিগম। বৃহস্পতিবার পুরনিগমের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি বাড়ির চিহ্নিত অবৈধ অংশ ভাঙার কাজ শুরু করেন। এদিন বাড়ির কয়েকটি অংশের পাশাপাশি ছাদেরও কিছুটা অংশ ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
জানা গিয়েছে, রঞ্জন সরকারের বাবা ১৯৯৮ সালে ওই বাড়িটি কিনেছিলেন। বর্তমানে সেখানে রঞ্জন সরকার, তাঁর দুই ভাই এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বসবাস করেন। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ওই বাড়িতে বসবাস করছেন। তবে কয়েক বছর আগে বাড়িটির নির্মাণ নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয় এবং বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।
পরিবারের দাবি, সম্প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশে বাড়ির চিহ্নিত অবৈধ অংশ ধাপে ধাপে ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন পুরনিগম অভিযান চালায়। পুরনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালতের পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী বাড়ির আরও চিহ্নিত অংশ ভাঙা হতে পারে।
অভিযানে ক্ষুব্ধ রঞ্জন সরকার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, ভাঙার মাত্র দু’দিন আগে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৮ সালে বাড়িটি কেনার সময় নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে তাঁরা অবগত ছিলেন না বলেও দাবি পরিবারের। দীর্ঘদিন বসবাসের পর বাড়ির অংশ ভেঙে দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা।

প্রদীপের আলোয় মোদির জন্মদিন, সুন্দরবনেও সেবা কর্মসূচি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাইকোর্টের নির্দেশে সুভাষপল্লিতে বাড়ির অংশ ভাঙল পুরনিগম

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার
শিলিগুড়ি: হাইকোর্টের নির্দেশে শিলিগুড়ির সুভাষপল্লি এলাকায় অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান চালাল শিলিগুড়ি পুরনিগম। বৃহস্পতিবার পুরনিগমের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি বাড়ির চিহ্নিত অবৈধ অংশ ভাঙার কাজ শুরু করেন। এদিন বাড়ির কয়েকটি অংশের পাশাপাশি ছাদেরও কিছুটা অংশ ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
জানা গিয়েছে, রঞ্জন সরকারের বাবা ১৯৯৮ সালে ওই বাড়িটি কিনেছিলেন। বর্তমানে সেখানে রঞ্জন সরকার, তাঁর দুই ভাই এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বসবাস করেন। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ওই বাড়িতে বসবাস করছেন। তবে কয়েক বছর আগে বাড়িটির নির্মাণ নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয় এবং বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।
পরিবারের দাবি, সম্প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশে বাড়ির চিহ্নিত অবৈধ অংশ ধাপে ধাপে ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন পুরনিগম অভিযান চালায়। পুরনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালতের পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী বাড়ির আরও চিহ্নিত অংশ ভাঙা হতে পারে।
অভিযানে ক্ষুব্ধ রঞ্জন সরকার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, ভাঙার মাত্র দু’দিন আগে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৮ সালে বাড়িটি কেনার সময় নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে তাঁরা অবগত ছিলেন না বলেও দাবি পরিবারের। দীর্ঘদিন বসবাসের পর বাড়ির অংশ ভেঙে দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা।