১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রতিবন্ধকতাকে হারিয়ে বিএ পাশ বাপি, শুয়ে শুয়েই পড়াশোনার লড়াই

বাইজিদ মণ্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: জন্ম থেকেই ১০০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধকতা। হাঁটাচলা তো দূরের কথা, হাত-পা নাড়ানোও কঠিন। সেই প্রতিকূলতাকে হার মানিয়ে ২০২৬ সালে মগরাহাট কলেজ থেকে BA পাশ করলেন মগরাহাট পূর্বের ডিহি কলস শুঁড়িপুকুরের বাসিন্দা বাপি ফকির।
ছোটবেলা থেকেই মা সেরিনা বিবি কোলে করে তাঁকে স্কুলে নিয়ে যেতেন। পড়াশোনার খরচ জোগাতে শুয়ে শুয়েই লাইনের জাল তৈরি করতেন বাপি। ক্লাস ফোর থেকে শিক্ষক সমীর মণ্ডল সামান্য পারিশ্রমিকে তাঁকে পড়িয়েছেন।
২০২০ সালে বেঞ্চে শুয়ে কোনও রাইটার ছাড়াই মাধ্যমিক দিয়ে ৩১২ নম্বর এবং ২০২২ সালে উচ্চমাধ্যমিকে ৩৭১ নম্বর পান তিনি। এরপর মগরাহাট কলেজে ভর্তি হয়ে প্রতিদিন প্রায় দুই কিলোমিটার পথ হুইলচেয়ারে যেতেন। রাকিবুল গাজি, মিরাজ মোল্লা, সারোয়ার হোসেন ফকির, আব্দুল সামাদ গাজি, সামিম ফকির, জাহির লস্কর-সহ বন্ধুরা তাঁকে সহযোগিতা করেছেন।
বাপি বলেন, “কখনও ভাবিনি এই অবস্থায় BA পাশ করতে পারব।” বর্তমানে প্রতিবন্ধী ভাতা পেলেও স্বনির্ভর জীবনের জন্য আরও সরকারি সহযোগিতার আবেদন তাঁর।

প্রদীপের আলোয় মোদির জন্মদিন, সুন্দরবনেও সেবা কর্মসূচি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রতিবন্ধকতাকে হারিয়ে বিএ পাশ বাপি, শুয়ে শুয়েই পড়াশোনার লড়াই

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার
বাইজিদ মণ্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: জন্ম থেকেই ১০০ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধকতা। হাঁটাচলা তো দূরের কথা, হাত-পা নাড়ানোও কঠিন। সেই প্রতিকূলতাকে হার মানিয়ে ২০২৬ সালে মগরাহাট কলেজ থেকে BA পাশ করলেন মগরাহাট পূর্বের ডিহি কলস শুঁড়িপুকুরের বাসিন্দা বাপি ফকির।
ছোটবেলা থেকেই মা সেরিনা বিবি কোলে করে তাঁকে স্কুলে নিয়ে যেতেন। পড়াশোনার খরচ জোগাতে শুয়ে শুয়েই লাইনের জাল তৈরি করতেন বাপি। ক্লাস ফোর থেকে শিক্ষক সমীর মণ্ডল সামান্য পারিশ্রমিকে তাঁকে পড়িয়েছেন।
২০২০ সালে বেঞ্চে শুয়ে কোনও রাইটার ছাড়াই মাধ্যমিক দিয়ে ৩১২ নম্বর এবং ২০২২ সালে উচ্চমাধ্যমিকে ৩৭১ নম্বর পান তিনি। এরপর মগরাহাট কলেজে ভর্তি হয়ে প্রতিদিন প্রায় দুই কিলোমিটার পথ হুইলচেয়ারে যেতেন। রাকিবুল গাজি, মিরাজ মোল্লা, সারোয়ার হোসেন ফকির, আব্দুল সামাদ গাজি, সামিম ফকির, জাহির লস্কর-সহ বন্ধুরা তাঁকে সহযোগিতা করেছেন।
বাপি বলেন, “কখনও ভাবিনি এই অবস্থায় BA পাশ করতে পারব।” বর্তমানে প্রতিবন্ধী ভাতা পেলেও স্বনির্ভর জীবনের জন্য আরও সরকারি সহযোগিতার আবেদন তাঁর।