সফিকুল আলম, মালদা: একই ঘরে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক পরিণতি। শোয়ার ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল স্ত্রীর দেহ, আর ঠিক নিচেই মেঝেতে পড়ে ছিল স্বামীর দেহ। রাতের এই ঘটনায় হরিশ্চন্দ্রপুরের পূর্ব কস্তুরিয়া গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু’জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব কস্তুরিয়া গ্রামের গাররা পুকুর এলাকায়। মৃত দম্পতির নাম কার্তিক প্রামাণিক (৩০) এবং মাম্পি কুমারী অধিকারী (১৯)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে বাড়ির একটি ঘর থেকে দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়। স্ত্রীকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং স্বামীকে তাঁর নিচে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর পরিবারের তরফে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
মৃত কার্তিক প্রামাণিকের বাবা সাধন প্রামাণিক জানান, তিনি ও তাঁর স্ত্রী সেনসাসের কাজে গ্রামে সার্ভে করতে বেরিয়েছিলেন। বাড়িতে ছিলেন ছেলে কার্তিক ও পুত্রবধূ মাম্পি। রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফিরে ছেলের শোয়ার ঘরে ঢুকতেই তাঁরা এই মর্মান্তিক দৃশ্য দেখতে পান। এরপরই দেরি না করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু’জনের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে কী কারণে তাঁরা এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।
নতুন গতি 




















