কোচবিহার: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পাঁচ মাসের মধ্যেই কোচবিহার জেলা পরিষদের নেতৃত্বে বদল। নতুন সভাধিপতি নির্বাচিত হলেন তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হিমানি ইশর। তবে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গণতান্ত্রিক তৃণমূল, নাকি বিজেপির দিকে—তা নিয়ে রহস্য জিইয়ে রাখলেন নবনির্বাচিত সভাধিপতি।
বুধবার দুপুরে জেলা পরিষদের ৩৪ জন সদস্যের মধ্যে ২০ জন ভোটদানে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জন হিমানির পক্ষে ভোট দেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক তথা জেলা পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সজল তামাংয়ের নজরদারিতে ভোটপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৩৪টি আসনের মধ্যে ৩২টিতে জিতেছিল তৃণমূল, দু’টিতে বিজেপি। সভাধিপতি ছিলেন সুমিতা বর্মন। বিধানসভা ভোটের ফলের পর জেলা পরিষদে তাঁর নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে সদস্যদের একাংশ প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব পাস হওয়ার পর শুরু হয় নতুন সভাধিপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া।
হিমানি আগে শিশু ও নারী উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং ত্রাণ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। সভাধিপতি নির্বাচিত হয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার এসেছে। মাননীয় শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ। যে ভাবে নির্দেশ দেবেন, সে ভাবে কাজ করব।”
দলীয় পরিচয় নিয়ে প্রশ্নে তাঁর জবাব, “আমি কোনও পক্ষে নেই। আমরা কেবল জনপ্রতিনিধি।” তৃণমূল ছেড়েছেন কি না, সে প্রশ্নেও স্পষ্ট উত্তর এড়িয়ে বলেন, “তৃণমূল ছেড়ে দিয়েছি না ধরে রেখেছি বলতে পারব না। শুধু উন্নয়ন করতে চাই।”
নতুন গতি 






















