১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বেতন-বোনাস বকেয়া, পুজোর মুখে বন্ধ ১৪টি ঘাটের ফেরি!

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 13
হাওড়া: দু’মাসের বকেয়া বেতন ও পুজোর বোনাস না পেয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করলেন হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির কর্মীরা। বুধবার চতুর্থীর দিন হাওড়ার প্রায় ১৪টি ঘাটে ফেরি পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী।
মঙ্গলবার হাওড়া রেলস্টেশন সংলগ্ন ফেরিঘাটে বিক্ষোভ দেখান কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, পুজোর মুখে বেতন ও বোনাস না মেলায় পরিবার নিয়ে আর্থিক সঙ্কটে পড়েছেন তাঁরা। সমিতিতে প্রায় ২৫০ জন কর্মী কাজ করেন। হাওড়া থেকে গোলাবাড়ি, শোভাবাজার, বাগবাজার, চাঁদপাল, আর্মানি ঘাট ও প্রিন্সেপ ঘাট-সহ বিভিন্ন রুটে ফেরি পরিষেবা পরিচালিত হয়। বাউড়িয়া ও নুরপুরেও জলপথে যাতায়াত ব্যাহত হয়েছে।
কর্মীদের দাবি, পুজোর সময় ১৪টি ঘাটে টিকিট বিক্রি করে কয়েক লক্ষ টাকা আয় হয়। সেই অর্থ থেকে বকেয়া মেটানো সম্ভব ছিল। তবুও বেতন মেলেনি।
নির্বাচিত পরিচালন পর্ষদ না থাকায় বর্তমানে হাওড়া জেলা সমবায় দফতরের সমবায় সমিতির সহকারী নিবন্ধক প্রশাসকের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। মঙ্গলবার পরিচালন পর্ষদের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পদস্থ আধিকারিক জানান, কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ, রাজ্য পরিবহণ দফতর ও জেলা পরিষদের ভাড়া বাবদ পাওনা মেটানোর পর কর্মীদের বেতন দেওয়া হবে। তবে বোনাস নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। বুধবার পরিষেবা বন্ধের পর কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বেতন-বোনাস বকেয়া, পুজোর মুখে বন্ধ ১৪টি ঘাটের ফেরি!

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
হাওড়া: দু’মাসের বকেয়া বেতন ও পুজোর বোনাস না পেয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করলেন হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির কর্মীরা। বুধবার চতুর্থীর দিন হাওড়ার প্রায় ১৪টি ঘাটে ফেরি পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী।
মঙ্গলবার হাওড়া রেলস্টেশন সংলগ্ন ফেরিঘাটে বিক্ষোভ দেখান কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, পুজোর মুখে বেতন ও বোনাস না মেলায় পরিবার নিয়ে আর্থিক সঙ্কটে পড়েছেন তাঁরা। সমিতিতে প্রায় ২৫০ জন কর্মী কাজ করেন। হাওড়া থেকে গোলাবাড়ি, শোভাবাজার, বাগবাজার, চাঁদপাল, আর্মানি ঘাট ও প্রিন্সেপ ঘাট-সহ বিভিন্ন রুটে ফেরি পরিষেবা পরিচালিত হয়। বাউড়িয়া ও নুরপুরেও জলপথে যাতায়াত ব্যাহত হয়েছে।
কর্মীদের দাবি, পুজোর সময় ১৪টি ঘাটে টিকিট বিক্রি করে কয়েক লক্ষ টাকা আয় হয়। সেই অর্থ থেকে বকেয়া মেটানো সম্ভব ছিল। তবুও বেতন মেলেনি।
নির্বাচিত পরিচালন পর্ষদ না থাকায় বর্তমানে হাওড়া জেলা সমবায় দফতরের সমবায় সমিতির সহকারী নিবন্ধক প্রশাসকের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। মঙ্গলবার পরিচালন পর্ষদের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পদস্থ আধিকারিক জানান, কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ, রাজ্য পরিবহণ দফতর ও জেলা পরিষদের ভাড়া বাবদ পাওনা মেটানোর পর কর্মীদের বেতন দেওয়া হবে। তবে বোনাস নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। বুধবার পরিষেবা বন্ধের পর কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।