১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

রাজঐতিহ্যে ছেদ! বড়োদেবীর মুখ প্রথম দেখলেন জেলাশাসক

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 19
কোচবিহার: শতাব্দীপ্রাচীন রাজপরম্পরায় ছেদ। অসুস্থতার কারণে দেও দেখা অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকলেন রাজপ্রতিনিধি দুয়ার বকশি অজয় দেব বক্সী। ফলে ঘট স্থাপনের পর কোষার জলে বড়োদেবীর মুখ প্রথম দর্শন করলেন জেলাশাসক জিতিন যাদব। সোমবারের এই ঘটনায় কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী পুজোয় তৈরি হল ব্যতিক্রমী নজির।
মদনমোহন বাড়ি থেকে হনুমানদণ্ড আনার পর বড়োদেবী বাড়িতে পুজো হয়। কয়েকশো বছরের পুরোনো তালপাতার পুঁথিতে লেখা মন্ত্র উচ্চারণ করে দ্বিতীয়ায় ঘট স্থাপন করা হয়। অসুস্থতার কথা জানিয়ে দুয়ার বকশি অজয় দেব বক্সী চিঠি দিয়ে দেবত্র ট্রাস্ট বোর্ডকে নিজের অনুপস্থিতির কথা জানান। এরপর দুয়ার পণ্ডিত অরুণাভ ভট্টাচার্যের বিধান অনুযায়ী প্রথমে জলের প্রতিবিম্বে দেবীর মুখ দেখেন জেলাশাসক। পরে মহকুমা শাসক, ট্রাস্ট বোর্ডের সচিব-সহ অন্যরা দর্শন করেন। এই ব্যতিক্রমী পুজোয় অংশ নিতে পেরে ভালো লাগছে বলে জানান জিতিন যাদব।
অন্যদিকে, মন্দির থেকে রাজপরিবারের সদস্যদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কোচবিহার রয়্যাল ফ্যামিলি সাকসেসার্স ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সভাপতি কুমার জিতেন্দ্র নারায়ণ। তাঁর দাবি, পুজোয় হস্তক্ষেপ না করেও তাঁদের বাইরে যেতে বলা হয়। বড়োদেবীর সমস্ত পুজোয় রাজপরিবারের সদস্যদের উপস্থিতির অনুমতি চেয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে জেলাশাসকের বক্তব্য মেলেনি।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজঐতিহ্যে ছেদ! বড়োদেবীর মুখ প্রথম দেখলেন জেলাশাসক

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
কোচবিহার: শতাব্দীপ্রাচীন রাজপরম্পরায় ছেদ। অসুস্থতার কারণে দেও দেখা অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকলেন রাজপ্রতিনিধি দুয়ার বকশি অজয় দেব বক্সী। ফলে ঘট স্থাপনের পর কোষার জলে বড়োদেবীর মুখ প্রথম দর্শন করলেন জেলাশাসক জিতিন যাদব। সোমবারের এই ঘটনায় কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী পুজোয় তৈরি হল ব্যতিক্রমী নজির।
মদনমোহন বাড়ি থেকে হনুমানদণ্ড আনার পর বড়োদেবী বাড়িতে পুজো হয়। কয়েকশো বছরের পুরোনো তালপাতার পুঁথিতে লেখা মন্ত্র উচ্চারণ করে দ্বিতীয়ায় ঘট স্থাপন করা হয়। অসুস্থতার কথা জানিয়ে দুয়ার বকশি অজয় দেব বক্সী চিঠি দিয়ে দেবত্র ট্রাস্ট বোর্ডকে নিজের অনুপস্থিতির কথা জানান। এরপর দুয়ার পণ্ডিত অরুণাভ ভট্টাচার্যের বিধান অনুযায়ী প্রথমে জলের প্রতিবিম্বে দেবীর মুখ দেখেন জেলাশাসক। পরে মহকুমা শাসক, ট্রাস্ট বোর্ডের সচিব-সহ অন্যরা দর্শন করেন। এই ব্যতিক্রমী পুজোয় অংশ নিতে পেরে ভালো লাগছে বলে জানান জিতিন যাদব।
অন্যদিকে, মন্দির থেকে রাজপরিবারের সদস্যদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কোচবিহার রয়্যাল ফ্যামিলি সাকসেসার্স ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সভাপতি কুমার জিতেন্দ্র নারায়ণ। তাঁর দাবি, পুজোয় হস্তক্ষেপ না করেও তাঁদের বাইরে যেতে বলা হয়। বড়োদেবীর সমস্ত পুজোয় রাজপরিবারের সদস্যদের উপস্থিতির অনুমতি চেয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে জেলাশাসকের বক্তব্য মেলেনি।