১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

গেদে সীমান্তে জওয়ানদের হাতে রাখি, সম্প্রীতির বার্তা

নদিয়া: রাখি বন্ধন উৎসবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ধরা পড়ল সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের অনন্য ছবি। শুক্রবার নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের গেদে সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের হাতে রাখি পরিয়ে উৎসবে শামিল হলেন এলাকার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মহিলারা। কপালে তিলক পরিয়ে ও মিষ্টিমুখ করিয়ে জওয়ানদের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করেন তাঁরা।
এদিন শুধু বিএসএফ জওয়ানদের নয়, বাংলাদেশ থেকে আসা নাগরিকদের হাতেও রাখি পরানো হয়। ফলে রাখি বন্ধন উৎসব কার্যত দুই দেশের সম্প্রীতির মিলন উৎসবে পরিণত হয়। সীমান্তজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মহিলা লাবনী মজুমদার বলেন, “রাখি বন্ধন বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অন্যতম নিদর্শন। আজ ভারতীয় জওয়ান ও বাংলাদেশের নাগরিকদের হাতে রাখি পরিয়ে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক আশীষ কুমার বিশ্বাস বলেন, “দেশরক্ষার কাজে নিয়োজিত জওয়ানরা পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকেন। তাঁদের পরিবারের কথা মনে করিয়ে দিতেই মায়েরা-বোনেরা রাখি পরিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে থাকতে পেরে আমি গর্বিত।”
বাংলাদেশ থেকে আসা নাগরিক আসিফ শেখ বলেন, “এমন সংস্কৃতি বাংলাদেশে নেই। ভারতে এসে বোনেরা ভাই বলে রাখি পরিয়ে দেওয়ায় খুব ভালো লাগছে।”
সীমান্তের বাসিন্দা জোটের বক্স বলেন, “বোনেরা আমাকে রাখি পরিয়েছেন, এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।” প্রতি বছর রাখি উৎসবে তাঁদের আসার অনুরোধও জানান তিনি।

দুবরাজপুর থানায় যুবকের রহস্যমৃত্যু, উত্তেজনা-বিক্ষোভ 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গেদে সীমান্তে জওয়ানদের হাতে রাখি, সম্প্রীতির বার্তা

আপডেট : ২৯ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার
নদিয়া: রাখি বন্ধন উৎসবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ধরা পড়ল সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের অনন্য ছবি। শুক্রবার নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের গেদে সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের হাতে রাখি পরিয়ে উৎসবে শামিল হলেন এলাকার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মহিলারা। কপালে তিলক পরিয়ে ও মিষ্টিমুখ করিয়ে জওয়ানদের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করেন তাঁরা।
এদিন শুধু বিএসএফ জওয়ানদের নয়, বাংলাদেশ থেকে আসা নাগরিকদের হাতেও রাখি পরানো হয়। ফলে রাখি বন্ধন উৎসব কার্যত দুই দেশের সম্প্রীতির মিলন উৎসবে পরিণত হয়। সীমান্তজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মহিলা লাবনী মজুমদার বলেন, “রাখি বন্ধন বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অন্যতম নিদর্শন। আজ ভারতীয় জওয়ান ও বাংলাদেশের নাগরিকদের হাতে রাখি পরিয়ে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক আশীষ কুমার বিশ্বাস বলেন, “দেশরক্ষার কাজে নিয়োজিত জওয়ানরা পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকেন। তাঁদের পরিবারের কথা মনে করিয়ে দিতেই মায়েরা-বোনেরা রাখি পরিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে থাকতে পেরে আমি গর্বিত।”
বাংলাদেশ থেকে আসা নাগরিক আসিফ শেখ বলেন, “এমন সংস্কৃতি বাংলাদেশে নেই। ভারতে এসে বোনেরা ভাই বলে রাখি পরিয়ে দেওয়ায় খুব ভালো লাগছে।”
সীমান্তের বাসিন্দা জোটের বক্স বলেন, “বোনেরা আমাকে রাখি পরিয়েছেন, এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।” প্রতি বছর রাখি উৎসবে তাঁদের আসার অনুরোধও জানান তিনি।