০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

হাওড়া: পার্কিং দপ্তরে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা; অবৈধ পার্কিং লট গুলিতে সিন্ডিকেটের গুন্ডাদের দাপট

হাওড়া: ২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত পার্কিং থেকে একটি টাকাও আয় না হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় তিন কোটি টাকা।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পার্কিং-ফি আদায়ের জন্য দরপত্র ডেকে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে বার বার দরপত্র চাওয়া হলেও কোনও সংস্থা তাতে সাড়া দেয়নি। যার ফলে বৈধ ভাবে পার্কিং-ফি আদায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

পুরসভার এক পদস্থ কর্তা বলেন “সিন্ডিকেটের স্থানীয় তোলাবাজদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ানোর ভয়ে এই ব্যবসায় কেউ আর আসতে চাইছে না। এখন স্থানীয় তোলাবাজেরাই পার্কিং থেকে টাকা তুলছে অবাধে। পুরসভার নিজস্ব পরিকাঠামো না থাকায় এটা আটকাতে পারছে না। পুলিশও সব জেনেশুনে চুপ করে আছে।”

মঙ্গলহাট এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এক শ্রেণির ট্র্যাফিক পুলিশকর্মীর সঙ্গে স্থানীয় সিন্ডিকেটের বোঝাপড়াতেই অবাধে এই অবৈধ পার্কিং ব্যবসা চলে। যে কারণে পথ চলাই দায় হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষের।

হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি (ট্র্যাফিক) অর্ণব বিশ্বাস বলেন “পুরসভার পার্কিং লটগুলি দেখাশোনার দায়িত্ব কিন্তু পুরসভারই। তবে অন্য যে সব জায়গায় অবৈধ পার্কিং তৈরি হয়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখে আমরা ‘নো পার্কিং জ়োন’-এর নির্দেশিকা জারি করেছি। আরও যে সব জায়গায় এই কাণ্ড হচ্ছে, সেগুলির উপরেও নজর রাখা হচ্ছে।”

সর্বাধিক পাঠিত

রুম্পা-মৃত্যুর প্রতিবাদে দুবরাজপুরে আশা কর্মীদের বিক্ষোভ, বিধায়কের নিঃশর্ত ক্ষমার দাবিতে স্মারকলিপি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাওড়া: পার্কিং দপ্তরে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা; অবৈধ পার্কিং লট গুলিতে সিন্ডিকেটের গুন্ডাদের দাপট

আপডেট : ৯ মার্চ ২০২২, বুধবার

হাওড়া: ২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত পার্কিং থেকে একটি টাকাও আয় না হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় তিন কোটি টাকা।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পার্কিং-ফি আদায়ের জন্য দরপত্র ডেকে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে বার বার দরপত্র চাওয়া হলেও কোনও সংস্থা তাতে সাড়া দেয়নি। যার ফলে বৈধ ভাবে পার্কিং-ফি আদায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

পুরসভার এক পদস্থ কর্তা বলেন “সিন্ডিকেটের স্থানীয় তোলাবাজদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ানোর ভয়ে এই ব্যবসায় কেউ আর আসতে চাইছে না। এখন স্থানীয় তোলাবাজেরাই পার্কিং থেকে টাকা তুলছে অবাধে। পুরসভার নিজস্ব পরিকাঠামো না থাকায় এটা আটকাতে পারছে না। পুলিশও সব জেনেশুনে চুপ করে আছে।”

মঙ্গলহাট এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এক শ্রেণির ট্র্যাফিক পুলিশকর্মীর সঙ্গে স্থানীয় সিন্ডিকেটের বোঝাপড়াতেই অবাধে এই অবৈধ পার্কিং ব্যবসা চলে। যে কারণে পথ চলাই দায় হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষের।

হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি (ট্র্যাফিক) অর্ণব বিশ্বাস বলেন “পুরসভার পার্কিং লটগুলি দেখাশোনার দায়িত্ব কিন্তু পুরসভারই। তবে অন্য যে সব জায়গায় অবৈধ পার্কিং তৈরি হয়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখে আমরা ‘নো পার্কিং জ়োন’-এর নির্দেশিকা জারি করেছি। আরও যে সব জায়গায় এই কাণ্ড হচ্ছে, সেগুলির উপরেও নজর রাখা হচ্ছে।”