২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জ্যান্ত কেউটেকেই ‘মা ঝঙ্কেশ্বরী’ রূপে পুজো, মঙ্গলকোটে বিরল লোকাচার

রাহুল রায়, মঙ্গলকোট: পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পলসোনা গ্রামে বৃহস্পতিবার আষাঢ় মাসের কৃষ্ণ প্রতিপদ তিথিতে পালিত হলো ঐতিহ্যবাহী মা ঝঙ্কেশ্বরী পুজো। এই পুজোর বিশেষত্ব, এখানে জ্যান্ত কেউটে (কোবরা) সাপকেই দেবীর রূপে পূজা করা হয়। বিরল এই লোকাচার দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ভিড় জমান বহু মানুষ। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, বিষধর এই সাপই মা ঝঙ্কেশ্বরীর রূপ। তাই তাঁরা সাপকে ‘মা’ বলেই সম্বোধন করেন। তাঁদের দাবি, সাপটি বাড়ির আশপাশে অবাধে ঘুরে বেড়ালেও সাধারণত কারও ক্ষতি করে না। পুজোর অন্যতম আকর্ষণ মন্দিরের সামনে মাটির কলস ভাঙার রীতি। স্থানীয়দের বিশ্বাস, সেই কলসের টুকরো বাড়িতে রাখলে বিষধর সাপ প্রবেশ করে না। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, মনসামঙ্গল কাব্যের লখিন্দরকে দংশনকারী সাপই এখানে মা ঝঙ্কেশ্বরী রূপে পূজিত হন। যদিও সর্পবিশেষজ্ঞদের মতে, কেউটে অত্যন্ত বিষধর সাপ এবং এর দংশন প্রাণঘাতী হতে পারে। তাই সাপ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা ও দংশনের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। পলসোনা ছাড়াও মঙ্গলকোট ও ভাতারের আরও কয়েকটি গ্রামে এদিন মা ঝঙ্কেশ্বরীর পুজো ও মেলা উপলক্ষে উৎসবের আবহ তৈরি হয়।
সর্বাধিক পাঠিত

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জ্যান্ত কেউটেকেই ‘মা ঝঙ্কেশ্বরী’ রূপে পুজো, মঙ্গলকোটে বিরল লোকাচার

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার
রাহুল রায়, মঙ্গলকোট: পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পলসোনা গ্রামে বৃহস্পতিবার আষাঢ় মাসের কৃষ্ণ প্রতিপদ তিথিতে পালিত হলো ঐতিহ্যবাহী মা ঝঙ্কেশ্বরী পুজো। এই পুজোর বিশেষত্ব, এখানে জ্যান্ত কেউটে (কোবরা) সাপকেই দেবীর রূপে পূজা করা হয়। বিরল এই লোকাচার দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ভিড় জমান বহু মানুষ। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, বিষধর এই সাপই মা ঝঙ্কেশ্বরীর রূপ। তাই তাঁরা সাপকে ‘মা’ বলেই সম্বোধন করেন। তাঁদের দাবি, সাপটি বাড়ির আশপাশে অবাধে ঘুরে বেড়ালেও সাধারণত কারও ক্ষতি করে না। পুজোর অন্যতম আকর্ষণ মন্দিরের সামনে মাটির কলস ভাঙার রীতি। স্থানীয়দের বিশ্বাস, সেই কলসের টুকরো বাড়িতে রাখলে বিষধর সাপ প্রবেশ করে না। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, মনসামঙ্গল কাব্যের লখিন্দরকে দংশনকারী সাপই এখানে মা ঝঙ্কেশ্বরী রূপে পূজিত হন। যদিও সর্পবিশেষজ্ঞদের মতে, কেউটে অত্যন্ত বিষধর সাপ এবং এর দংশন প্রাণঘাতী হতে পারে। তাই সাপ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা ও দংশনের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। পলসোনা ছাড়াও মঙ্গলকোট ও ভাতারের আরও কয়েকটি গ্রামে এদিন মা ঝঙ্কেশ্বরীর পুজো ও মেলা উপলক্ষে উৎসবের আবহ তৈরি হয়।