১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

ভিবি-জি রামজি প্রকল্পে ১২৫ দিনের কাজে রাজ্যে শীর্ষে বাঁকুড়া

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
  • 16
সৈয়দ মফিজুল হোদা, বাঁকুড়া: ১২৫ দিনের কাজ, অর্থাৎ ভিবি-জি রামজি প্রকল্পে কর্মদিবস তৈরিতে রাজ্যের মধ্যে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে বাঁকুড়া জেলা। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৭৬ হাজার কর্মদিবস তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের লক্ষ্য, খুব শীঘ্রই এই সংখ্যা ২ লক্ষের গণ্ডি ছাড়াবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, ১২৫ দিনের এই প্রকল্প চালু হলে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিন্ রাজ্যে কাজের সন্ধানে যাওয়ার প্রবণতা কমবে। সেই লক্ষ্যেই গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে প্রকল্প নিয়ে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি কাজের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার ১৯০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে গড়ে প্রায় ৯২৭টি করে কর্মদিবস তৈরি হয়েছে। আর এই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতেই রাজ্যের মধ্যে প্রথম সারিতে উঠে এসেছে বাঁকুড়া।
সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত স্তরে প্রশাসনের লাগাতার প্রচারের ফলে প্রকল্পে কাজ চেয়ে আবেদনকারীর সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত জেলায় ৬৩ হাজার ৫০৬ জন কাজের জন্য আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে বহু আবেদনকারী ইতিমধ্যেই কাজের সুযোগ পেয়েছেন।
বাঁকুড়ার এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। বিশেষ করে ব্যক্তিগত জমিতে হাপা, পুকুর খনন-সহ বিভিন্ন জল সংরক্ষণমূলক প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মদিবস তৈরি হয়েছে
প্রশাসনে সুত্রে খবর এভাবেই কাজের সুযোগ আরও বাড়ানো গেলে আগামী দিনে বাঁকুড়ায় কর্মদিবস তৈরির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের স্থানীয়ভাবে কাজের সুযোগও বাড়বে
তাই বেজায় খুশি কাজ করতে আসা শ্রমিকেরা।
সর্বাধিক পাঠিত

মহিলা এশিয়া কাপ ২০২৬ সেমিফাইনাল সূচি: ভারতের ম্যাচের সময়, ভেন্যু, স্ট্রিমিংয়ের বিবরণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভিবি-জি রামজি প্রকল্পে ১২৫ দিনের কাজে রাজ্যে শীর্ষে বাঁকুড়া

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
সৈয়দ মফিজুল হোদা, বাঁকুড়া: ১২৫ দিনের কাজ, অর্থাৎ ভিবি-জি রামজি প্রকল্পে কর্মদিবস তৈরিতে রাজ্যের মধ্যে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে বাঁকুড়া জেলা। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৭৬ হাজার কর্মদিবস তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের লক্ষ্য, খুব শীঘ্রই এই সংখ্যা ২ লক্ষের গণ্ডি ছাড়াবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, ১২৫ দিনের এই প্রকল্প চালু হলে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিন্ রাজ্যে কাজের সন্ধানে যাওয়ার প্রবণতা কমবে। সেই লক্ষ্যেই গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে প্রকল্প নিয়ে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি কাজের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার ১৯০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে গড়ে প্রায় ৯২৭টি করে কর্মদিবস তৈরি হয়েছে। আর এই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতেই রাজ্যের মধ্যে প্রথম সারিতে উঠে এসেছে বাঁকুড়া।
সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত স্তরে প্রশাসনের লাগাতার প্রচারের ফলে প্রকল্পে কাজ চেয়ে আবেদনকারীর সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত জেলায় ৬৩ হাজার ৫০৬ জন কাজের জন্য আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে বহু আবেদনকারী ইতিমধ্যেই কাজের সুযোগ পেয়েছেন।
বাঁকুড়ার এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। বিশেষ করে ব্যক্তিগত জমিতে হাপা, পুকুর খনন-সহ বিভিন্ন জল সংরক্ষণমূলক প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মদিবস তৈরি হয়েছে
প্রশাসনে সুত্রে খবর এভাবেই কাজের সুযোগ আরও বাড়ানো গেলে আগামী দিনে বাঁকুড়ায় কর্মদিবস তৈরির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের স্থানীয়ভাবে কাজের সুযোগও বাড়বে
তাই বেজায় খুশি কাজ করতে আসা শ্রমিকেরা।