০১ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
০১ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে কয়েকজন বাংলাদেশীর বালি তোলায় চাঞ্চল্য চ্যাংরাবান্ধায়

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
  • 102
নতুন গতি প্রতিবেদন, কোচবিহার: বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সীমানা টপকে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে কয়েকজন বাংলাদেশীর, চ্যাংরাবান্ধা বাজার শ্মশানঘাট লাগোয়া, ধরলা নদী থেকে বালি তোলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল চ্যাংরাবান্ধায়। অভিযোগ, তাঁদের বিএসএফ বাধা দিতে গেলে তাঁরা বিএসএফকে লক্ষ্য করে ছোড়ে পাথর। পাল্টা বিএসএফের তরফ থেকে গুলিবর্ষন করা হলে নদীর দুই পাড়ে দেখা যায় জনসমাগম। ৫টি অবৈধ বালি তোলার নৌকা উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ। তাদের বক্তব্য, আরও মজবুত নজরদারি করা হবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায়।
ঘটনার নিন্দা জানিয়ে চ্যাংরাবান্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুনির্মল গুহ বলেছেন, ,”আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কিছু করা যায় না। নিয়মটা শুধুমাত্র আমরা ভারতীয়রাই পালন করি, আর এদিকে বাংলাদেশীরা আমাদের অনিষ্ট করেই চলেছে। আমাদের বহু কৃষকদের জমি কাঁটাতারের ওপারে থাকায় চাষবাসের কাজে তাদের সমস্যা হয়। কিন্তু সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশীদের দৌরাত্ব অব্যাহত রয়েছে। ধরলা নদী থেকে অবৈধ বালি উত্তোলন করে তারা আমাদের চূড়ান্ত ক্ষতি করে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে ধরলার গতিপথ অচিরেই পরিবর্তন হবে, যা চ্যাংরাবান্ধার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।”
তিনি আরও বলেছেন, “আমাদের আন্তর্জাতিক সীমানায় এসে আমাদের বিএসএফের উপর এভাবে পাথরের হামলা বরদাস্ত করা হবে না। বিএসএফের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ জওয়ানদের সংখ্যা আরও বাড়ানোর আবেদন রাখার পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে মেখলিগঞ্জ পুলিশ ও মেখলিগঞ্জ-এর বিধায়কের সঙ্গে অবিলম্বে একটি জরুরী বৈঠক করব।”

দামোদরে স্নান করতে নামে পাঁচ বন্ধু, চোরা বালিতে তলিয়ে নিখোঁজ এক

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে কয়েকজন বাংলাদেশীর বালি তোলায় চাঞ্চল্য চ্যাংরাবান্ধায়

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
নতুন গতি প্রতিবেদন, কোচবিহার: বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সীমানা টপকে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে কয়েকজন বাংলাদেশীর, চ্যাংরাবান্ধা বাজার শ্মশানঘাট লাগোয়া, ধরলা নদী থেকে বালি তোলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল চ্যাংরাবান্ধায়। অভিযোগ, তাঁদের বিএসএফ বাধা দিতে গেলে তাঁরা বিএসএফকে লক্ষ্য করে ছোড়ে পাথর। পাল্টা বিএসএফের তরফ থেকে গুলিবর্ষন করা হলে নদীর দুই পাড়ে দেখা যায় জনসমাগম। ৫টি অবৈধ বালি তোলার নৌকা উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ। তাদের বক্তব্য, আরও মজবুত নজরদারি করা হবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায়।
ঘটনার নিন্দা জানিয়ে চ্যাংরাবান্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুনির্মল গুহ বলেছেন, ,”আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কিছু করা যায় না। নিয়মটা শুধুমাত্র আমরা ভারতীয়রাই পালন করি, আর এদিকে বাংলাদেশীরা আমাদের অনিষ্ট করেই চলেছে। আমাদের বহু কৃষকদের জমি কাঁটাতারের ওপারে থাকায় চাষবাসের কাজে তাদের সমস্যা হয়। কিন্তু সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশীদের দৌরাত্ব অব্যাহত রয়েছে। ধরলা নদী থেকে অবৈধ বালি উত্তোলন করে তারা আমাদের চূড়ান্ত ক্ষতি করে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে ধরলার গতিপথ অচিরেই পরিবর্তন হবে, যা চ্যাংরাবান্ধার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।”
তিনি আরও বলেছেন, “আমাদের আন্তর্জাতিক সীমানায় এসে আমাদের বিএসএফের উপর এভাবে পাথরের হামলা বরদাস্ত করা হবে না। বিএসএফের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ জওয়ানদের সংখ্যা আরও বাড়ানোর আবেদন রাখার পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে মেখলিগঞ্জ পুলিশ ও মেখলিগঞ্জ-এর বিধায়কের সঙ্গে অবিলম্বে একটি জরুরী বৈঠক করব।”