১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

বালুরঘাট জেলা সংগ্রহশালায় ‘এসো ম্যাজিক শিখি’ কর্মশালা

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
  • 13
নতুন গতি প্রতিবেদন, দক্ষিণ দিনাজপুর: বুধবার রাজ্যের শিশু কিশোর আকাদেমি ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বালুরঘাট জেলা সংগ্রহশালায় তিন দিনব্যাপী ‘এসো ম্যাজিক শিখি’ কর্মশালা। এটি চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। এতে যোগ দিয়েছে বালুরঘাটের পাঁচটি হাই স্কুলের সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির মোট ৫৩ জন পড়ুয়া।
ম্যাজিকের নানা কৌশল ‘ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ম্যাজিক অ্যাসোসিয়েটস’এর ম্যাজিশিয়ানরা শেখাচ্ছেন। নানা কারসাজি দেখানো হয় ছাত্রছাত্রীদের। পাশাপাশি প্রতি ম্যাজিকের নেপথ্যে থাকা বিজ্ঞানসম্মত কারণও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া, বাড়িতে অনুশীলনের সুবিধার্থে, ম্যাজিক সামগ্রী তুলে দেওয়া হয় সকল পড়ুয়ার হাতে। বহু পড়ুয়াই বেশ আনন্দিত হন।
কর্মশালায় অংশ নেওয়া এক ছাত্রের বক্তব্য, “মোবাইলের থেকে ম্যাজিক অনেক বেশি ভালো লাগছে। এর পিছনের বিজ্ঞান জানায় পড়াশোনাতেও সুবিধা হবে।” ছাত্রছাত্রীরা মনে করছেন, স্কুলে নিয়মিত ম্যাজিক শেখার সুযোগ করে দেওয়া হলে অনেকেই অবসরে হাতে মোবাইল নেবে না। কর্মশালা শেষ হওয়ার পর মিলবে শংসাপত্র। সংগঠনের সম্পাদক প্রশান্ত ঘোষ বলেছেন, “ম্যাজিক বুদ্ধি ও অঙ্কের দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর মানেই বিজ্ঞান ও হাতের কারুকার্য। ভবিষ্যতে এটিকে পেশা হিসেবেও বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।”
সর্বাধিক পাঠিত

ভিবি-জি রামজি প্রকল্পে ১২৫ দিনের কাজে রাজ্যে শীর্ষে বাঁকুড়া

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বালুরঘাট জেলা সংগ্রহশালায় ‘এসো ম্যাজিক শিখি’ কর্মশালা

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
নতুন গতি প্রতিবেদন, দক্ষিণ দিনাজপুর: বুধবার রাজ্যের শিশু কিশোর আকাদেমি ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে বালুরঘাট জেলা সংগ্রহশালায় তিন দিনব্যাপী ‘এসো ম্যাজিক শিখি’ কর্মশালা। এটি চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। এতে যোগ দিয়েছে বালুরঘাটের পাঁচটি হাই স্কুলের সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির মোট ৫৩ জন পড়ুয়া।
ম্যাজিকের নানা কৌশল ‘ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ম্যাজিক অ্যাসোসিয়েটস’এর ম্যাজিশিয়ানরা শেখাচ্ছেন। নানা কারসাজি দেখানো হয় ছাত্রছাত্রীদের। পাশাপাশি প্রতি ম্যাজিকের নেপথ্যে থাকা বিজ্ঞানসম্মত কারণও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া, বাড়িতে অনুশীলনের সুবিধার্থে, ম্যাজিক সামগ্রী তুলে দেওয়া হয় সকল পড়ুয়ার হাতে। বহু পড়ুয়াই বেশ আনন্দিত হন।
কর্মশালায় অংশ নেওয়া এক ছাত্রের বক্তব্য, “মোবাইলের থেকে ম্যাজিক অনেক বেশি ভালো লাগছে। এর পিছনের বিজ্ঞান জানায় পড়াশোনাতেও সুবিধা হবে।” ছাত্রছাত্রীরা মনে করছেন, স্কুলে নিয়মিত ম্যাজিক শেখার সুযোগ করে দেওয়া হলে অনেকেই অবসরে হাতে মোবাইল নেবে না। কর্মশালা শেষ হওয়ার পর মিলবে শংসাপত্র। সংগঠনের সম্পাদক প্রশান্ত ঘোষ বলেছেন, “ম্যাজিক বুদ্ধি ও অঙ্কের দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর মানেই বিজ্ঞান ও হাতের কারুকার্য। ভবিষ্যতে এটিকে পেশা হিসেবেও বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।”