৩১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
৩১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

কাজ না করেই বিল! করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগ

মালদা: তৃণমূল পরিচালিত করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের তহবিল থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গাজোল ব্লকে। পঞ্চায়েতের প্রধান ও এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে গত ৮ জুলাই জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে কোনও কাজ না করেই ভুয়ো বিল তৈরি করা হয়েছে। কোথাও আবার সামান্য কাজ দেখিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিল পাশ করিয়ে সরকারি তহবিল থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হবিবুর রহমান। তাঁর দাবি, তিনি শুরু থেকেই প্রধান ছিলেন না। এছাড়া এক বছরে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের তহবিলে ৭০–৮০ লক্ষ টাকা আসে, ফলে ৫০ লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর আরও দাবি, কাগজে-কলমে তৃণমূলের বোর্ড থাকলেও কার্যত বিজেপিই বোর্ড পরিচালনা করছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা মনতোষ মণ্ডলের অভিযোগ, রক্ষণাবেক্ষণ ও টিউবওয়েল মেরামতের নামে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

সর্বাধিক পাঠিত

নিট কেলেঙ্কারি কাণ্ডে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে বারুইপুর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে এসপি অফিসে ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কাজ না করেই বিল! করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগ

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার

মালদা: তৃণমূল পরিচালিত করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের তহবিল থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গাজোল ব্লকে। পঞ্চায়েতের প্রধান ও এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে গত ৮ জুলাই জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে কোনও কাজ না করেই ভুয়ো বিল তৈরি করা হয়েছে। কোথাও আবার সামান্য কাজ দেখিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিল পাশ করিয়ে সরকারি তহবিল থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হবিবুর রহমান। তাঁর দাবি, তিনি শুরু থেকেই প্রধান ছিলেন না। এছাড়া এক বছরে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের তহবিলে ৭০–৮০ লক্ষ টাকা আসে, ফলে ৫০ লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর আরও দাবি, কাগজে-কলমে তৃণমূলের বোর্ড থাকলেও কার্যত বিজেপিই বোর্ড পরিচালনা করছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা মনতোষ মণ্ডলের অভিযোগ, রক্ষণাবেক্ষণ ও টিউবওয়েল মেরামতের নামে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিজেপি।