১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ধারে মদ না দেওয়ায়, খুন হতে হলো দোকানদার কে!

নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রথম বার মদ কিনে খেয়ে ভাল নেশা হয়নি। আরও মদ চাই। কিন্তু পকেটে টাকা নেই। অগত্যা মদের দোকানে গিয়ে ধারে মদ চেয়েছিলেন। কিন্তু দোকানের কর্মী তা দিতে অস্বীকার করায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপালেন এক যুবক। সোমবার দুপুরের চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় থানার বৃন্দাবনপুর এলাকার। আহতকে গুরুতর জখম অবস্থায় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বাঁকুড়ার বৃন্দাবনপুর গ্রামের অদূরে ভাসাপুলের কাছে বিলাতি মদের একটি দোকান রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সেখান থেকে মদ কেনেন চায়ের দোকানদার প্রবীর মণ্ডল। কিছু ক্ষণ বাদেই আবার ওই দোকানে ফিরে আসেন তিনি। জানান, প্রথম বার নেশাটা জমেনি। আরও মদ দরকার। তবে টাকা পরে দেবেন। অন্য দিকে, দোকানের কর্মী শীতল ঘোষ তা শুনতে নারাজ। এ নিয়ে কিছু ক্ষণ তাঁদের মধ্যে বাক্‌বিতণ্ডা চলে। অভিযোগ, এর পর আচমকা মদের দোকানে ঢুকে শীতলকে রামদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ মারতে শুরু করেন প্রবীর। ঘাড় এবং গলায় মিলিয়ে প্রায় ১২ বার কোপ মারেন তিনি। তার পর ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ধারে মদ না দেওয়ায়, খুন হতে হলো দোকানদার কে!

আপডেট : ২৩ অগাস্ট ২০২২, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রথম বার মদ কিনে খেয়ে ভাল নেশা হয়নি। আরও মদ চাই। কিন্তু পকেটে টাকা নেই। অগত্যা মদের দোকানে গিয়ে ধারে মদ চেয়েছিলেন। কিন্তু দোকানের কর্মী তা দিতে অস্বীকার করায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপালেন এক যুবক। সোমবার দুপুরের চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় থানার বৃন্দাবনপুর এলাকার। আহতকে গুরুতর জখম অবস্থায় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বাঁকুড়ার বৃন্দাবনপুর গ্রামের অদূরে ভাসাপুলের কাছে বিলাতি মদের একটি দোকান রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সেখান থেকে মদ কেনেন চায়ের দোকানদার প্রবীর মণ্ডল। কিছু ক্ষণ বাদেই আবার ওই দোকানে ফিরে আসেন তিনি। জানান, প্রথম বার নেশাটা জমেনি। আরও মদ দরকার। তবে টাকা পরে দেবেন। অন্য দিকে, দোকানের কর্মী শীতল ঘোষ তা শুনতে নারাজ। এ নিয়ে কিছু ক্ষণ তাঁদের মধ্যে বাক্‌বিতণ্ডা চলে। অভিযোগ, এর পর আচমকা মদের দোকানে ঢুকে শীতলকে রামদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ মারতে শুরু করেন প্রবীর। ঘাড় এবং গলায় মিলিয়ে প্রায় ১২ বার কোপ মারেন তিনি। তার পর ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।