০৫ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
০৫ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩

বানভাসি সবং এর পাশে “দুঃসময়ের ফেরিওয়ালা”

সেখ মহম্মদ ইমরান, মেদিনীপুর: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিভুত নিম্নচাপের কারণে গোটা দক্ষিনবঙ্গের স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত। পূর্ব মেদিনীপুরের সবং, পটাশপুর,পাঁশকুড়া সহ বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। সবজি, ধান , ঘরবাড়ী জলের তলায়। গ্রাম গুলিতে এখনো এক বুক জল। শত শত বাড়ি এখনো ডুবে আছে। জলে ডুবে আছে স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বিদ্যালয়।

বন্যায় বিপর্যস্ত সবং এর চালকুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের এড়াল গ্রামে টিম ‘দুঃসময়ের ফেরিওয়ালা’ পৌঁছে গিয়েছিল প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী নিয়ে। টিম ‘দুঃসময়ের ফেরিওয়ালা’ অন্যতম কর্তা সেখ রাজ বলেন, কপালেশ্বরীর করাল গ্রাসে বানভাসি সবং এর এড়াল গ্রামে ফিনাইল ও ব্লিচিং, 60 টি পরিবারের জন্য মুড়ি, বিস্কুট,গ্লুকোজ, তেল, সোয়াবিন,সঙ্গে 250 মহিলার জন্য স্যানিটার প্যাড নিয়ে বন্যা দুর্গত অসহায় মানুষের হাতে তুলে দিয়েছি। তিনি আরো জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো রকম লক্ষণ নেয়।
আমরা আবার যাবো ওই বানভাসি এলাকাগুলোতে।
আমরা আমাদের সীমিত সাধ্য নিয়ে এই লড়াইয়ে নেমেছি। এই টিমে ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী সুমিতা ঘোষ, মিরাজুল ইসলাম, সেখ আসলাম, সাবির চৌধুরী প্রমুখ।

সর্বাধিক পাঠিত

রুম্পা-মৃত্যুর প্রতিবাদে দুবরাজপুরে আশা কর্মীদের বিক্ষোভ, বিধায়কের নিঃশর্ত ক্ষমার দাবিতে স্মারকলিপি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বানভাসি সবং এর পাশে “দুঃসময়ের ফেরিওয়ালা”

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার

সেখ মহম্মদ ইমরান, মেদিনীপুর: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিভুত নিম্নচাপের কারণে গোটা দক্ষিনবঙ্গের স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত। পূর্ব মেদিনীপুরের সবং, পটাশপুর,পাঁশকুড়া সহ বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। সবজি, ধান , ঘরবাড়ী জলের তলায়। গ্রাম গুলিতে এখনো এক বুক জল। শত শত বাড়ি এখনো ডুবে আছে। জলে ডুবে আছে স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বিদ্যালয়।

বন্যায় বিপর্যস্ত সবং এর চালকুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের এড়াল গ্রামে টিম ‘দুঃসময়ের ফেরিওয়ালা’ পৌঁছে গিয়েছিল প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী নিয়ে। টিম ‘দুঃসময়ের ফেরিওয়ালা’ অন্যতম কর্তা সেখ রাজ বলেন, কপালেশ্বরীর করাল গ্রাসে বানভাসি সবং এর এড়াল গ্রামে ফিনাইল ও ব্লিচিং, 60 টি পরিবারের জন্য মুড়ি, বিস্কুট,গ্লুকোজ, তেল, সোয়াবিন,সঙ্গে 250 মহিলার জন্য স্যানিটার প্যাড নিয়ে বন্যা দুর্গত অসহায় মানুষের হাতে তুলে দিয়েছি। তিনি আরো জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো রকম লক্ষণ নেয়।
আমরা আবার যাবো ওই বানভাসি এলাকাগুলোতে।
আমরা আমাদের সীমিত সাধ্য নিয়ে এই লড়াইয়ে নেমেছি। এই টিমে ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী সুমিতা ঘোষ, মিরাজুল ইসলাম, সেখ আসলাম, সাবির চৌধুরী প্রমুখ।