০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে বার্তা দিতে নিজের বিয়েতে টেস্ট করালেন জাহির হোসেন মন্ডল।

নিজস্ব সংবাদদাতা : নরেন্দ্রপুর দক্ষিণ কুমড়ো খালির বাসিন্দা জাহির হোসেন মন্ডল থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একজন প্রতীকী। তিনি একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। ২৭ ডিসেম্বর তাঁর শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। পাত্রীর বাড়ি নরেন্দ্রপুর এর কারবালা এলাকায়।বিয়ের দিন জাহিরসাহেব ও তাঁর সহধর্মিনী এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রত্যেককে থ্যালাসেমিয়া টেস্ট করেন। এ ব্যাপারে জাহির হোসেন মন্ডল পাত্রী, পাত্রীপক্ষ এবং অতিথিদের অবহিত করেন। জাহির হোসেন মণ্ডল এর এহেন উদ্যোগের প্রতি সকলে সাধুবাদ জানান। কলেজে পড়ার সময় তিনি সমাজসেবা মূলক কাজের প্রতি আকৃষ্ট হন। কলেজ জীবন থেকে ই শুরু হয় তাঁর জনসভা মূলক কাজ করা। মূলত তিনি থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে জনসচেতনতার বার্তা দিয়ে কলকাতা ও শহরতলী এবং সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ সুনাম অর্জন করেছেন। যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান হলে ই জাহির সাহেব ছুটে যান থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে বার্তা দিতে। এক সাক্ষাৎকারে জাহির হোসেন মন্ডল বলেন : স্রেফ জনসচেতনতার অভাবেই থ্যালাসেমিয়া র মত মারন রোগ মাথা ছাড়া দিয়ে ওঠে। এই মারন রোগকে নির্মূল করতে গেলে প্রথমেই জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। ইদানিংকালে থ্যালাসেমিয়া এপিডেমিক আকারে চলে এসেছে। গর্ভবতীরা বেশি সংখ্যায় আক্রান্ত হন। বিয়ের আগে সকলেরই রক্ত পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। সরকারিভাবে এটাকে বাধ্যতামূলক হিসাবে নির্দেশনামা জারি করা দরকার বলে জাহির হোসেন মন্ডলের অভিমত।

“প্রে ফর নেপাল” চুঁচুড়ায় মানবতার বার্তা নারী শক্তি’র

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে বার্তা দিতে নিজের বিয়েতে টেস্ট করালেন জাহির হোসেন মন্ডল।

আপডেট : ৪ জানুয়ারী ২০২৩, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : নরেন্দ্রপুর দক্ষিণ কুমড়ো খালির বাসিন্দা জাহির হোসেন মন্ডল থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একজন প্রতীকী। তিনি একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। ২৭ ডিসেম্বর তাঁর শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। পাত্রীর বাড়ি নরেন্দ্রপুর এর কারবালা এলাকায়।বিয়ের দিন জাহিরসাহেব ও তাঁর সহধর্মিনী এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রত্যেককে থ্যালাসেমিয়া টেস্ট করেন। এ ব্যাপারে জাহির হোসেন মন্ডল পাত্রী, পাত্রীপক্ষ এবং অতিথিদের অবহিত করেন। জাহির হোসেন মণ্ডল এর এহেন উদ্যোগের প্রতি সকলে সাধুবাদ জানান। কলেজে পড়ার সময় তিনি সমাজসেবা মূলক কাজের প্রতি আকৃষ্ট হন। কলেজ জীবন থেকে ই শুরু হয় তাঁর জনসভা মূলক কাজ করা। মূলত তিনি থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে জনসচেতনতার বার্তা দিয়ে কলকাতা ও শহরতলী এবং সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ সুনাম অর্জন করেছেন। যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান হলে ই জাহির সাহেব ছুটে যান থ্যালাসেমিয়ার বিরুদ্ধে বার্তা দিতে। এক সাক্ষাৎকারে জাহির হোসেন মন্ডল বলেন : স্রেফ জনসচেতনতার অভাবেই থ্যালাসেমিয়া র মত মারন রোগ মাথা ছাড়া দিয়ে ওঠে। এই মারন রোগকে নির্মূল করতে গেলে প্রথমেই জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। ইদানিংকালে থ্যালাসেমিয়া এপিডেমিক আকারে চলে এসেছে। গর্ভবতীরা বেশি সংখ্যায় আক্রান্ত হন। বিয়ের আগে সকলেরই রক্ত পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। সরকারিভাবে এটাকে বাধ্যতামূলক হিসাবে নির্দেশনামা জারি করা দরকার বলে জাহির হোসেন মন্ডলের অভিমত।