২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

৮০তম পতাকা উত্তোলন

নিজস্ব সংবাদদাতা : ৮০ তম পতাকা উত্তোলনে শামিল হয়ে বক্তব্য রাখলেন অলবেঙ্গল মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি ও ফুরফুরা শরীফের ভূমিপুত্র আবু আফজাল জিন্না। হুগলি জেলার ব্যান্ডেলের চন্দনপুরে আজাদ হিন্দ ক্লাবের সামনে ও “মক্তবে তাজবীদুল কুরআন “ও দক্ষিণ নলডাঙ্গা মসজিদ প্রাঙ্গণে।আজাদ হিন্দ ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করেন আব্দুল লতিফ,সেখ কামালুদ্দীন , মক্তবে তাজবীদুল কুরআন প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলন করেন হাফেজ সাবির সাহেব, দক্ষিণ নলডাঙ্গা মসজিদ প্রাঙ্গণে আবু আফজাল জিন্না ও এলাকার বিশিষ্ট সম্মানিয় ব্যাক্তিবর্গ।।

আজকের দিনের মাহাত্ম্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ফুরফুরা শরীফের ভুমিপুত্র আবু আফজাল জিন্না _তিনি বলেন ভগত সিং ক্ষুদিরাম বসু,মাতঙ্গিনি হাজরা মোহাম্মদ আলী শোওকাত আলি আশফাকুল্লাহ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু প্রমুখ দেশকে ভালবেসে লড়াই করেছে দীর্ঘ সময় ধরে।জাতপাতের উর্ধ্বে উঠে দেশকে ভালবেসে জীবন উৎসর্গ করেছে।আজ যে তেরঙ্গা পতাকা টা দেখছি,তার রুপকার ছিল সুরাইয়া বাদরুদ্দিন তাইয়েবজী,কর্ণেল সাহনাজ খান লালকেল্লা থেকে বৃটিশদের পতাকা সরিয়ে ভারতের জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ছিলেন।১৯৪৭ সালে বৃটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশ স্বাধীনতা পেয়েছিল। ছাত্র ছাত্রী ও সব ধর্মের মানুষ সম্মিলিত ভাবে দিনটি পালন করা হলো তা যেন এক মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল তা বলার অপেক্ষা থাকেনা।

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

৮০তম পতাকা উত্তোলন

আপডেট : ১৬ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : ৮০ তম পতাকা উত্তোলনে শামিল হয়ে বক্তব্য রাখলেন অলবেঙ্গল মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি ও ফুরফুরা শরীফের ভূমিপুত্র আবু আফজাল জিন্না। হুগলি জেলার ব্যান্ডেলের চন্দনপুরে আজাদ হিন্দ ক্লাবের সামনে ও “মক্তবে তাজবীদুল কুরআন “ও দক্ষিণ নলডাঙ্গা মসজিদ প্রাঙ্গণে।আজাদ হিন্দ ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করেন আব্দুল লতিফ,সেখ কামালুদ্দীন , মক্তবে তাজবীদুল কুরআন প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলন করেন হাফেজ সাবির সাহেব, দক্ষিণ নলডাঙ্গা মসজিদ প্রাঙ্গণে আবু আফজাল জিন্না ও এলাকার বিশিষ্ট সম্মানিয় ব্যাক্তিবর্গ।।

আজকের দিনের মাহাত্ম্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ফুরফুরা শরীফের ভুমিপুত্র আবু আফজাল জিন্না _তিনি বলেন ভগত সিং ক্ষুদিরাম বসু,মাতঙ্গিনি হাজরা মোহাম্মদ আলী শোওকাত আলি আশফাকুল্লাহ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু প্রমুখ দেশকে ভালবেসে লড়াই করেছে দীর্ঘ সময় ধরে।জাতপাতের উর্ধ্বে উঠে দেশকে ভালবেসে জীবন উৎসর্গ করেছে।আজ যে তেরঙ্গা পতাকা টা দেখছি,তার রুপকার ছিল সুরাইয়া বাদরুদ্দিন তাইয়েবজী,কর্ণেল সাহনাজ খান লালকেল্লা থেকে বৃটিশদের পতাকা সরিয়ে ভারতের জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ছিলেন।১৯৪৭ সালে বৃটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশ স্বাধীনতা পেয়েছিল। ছাত্র ছাত্রী ও সব ধর্মের মানুষ সম্মিলিত ভাবে দিনটি পালন করা হলো তা যেন এক মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল তা বলার অপেক্ষা থাকেনা।