০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

পাহাড়ে মাছের অস্বাভাবিক দাম

উত্তরবঙ্গ: উঠছে না গাড়ি।পাহাড়ে উঠছে না কোন মাছই।পেট্রল ডিজেলের দামের কারনে পাহাড়ে উঠছে না মাছের গাড়ি।ফলে হোটেলগুলিতে পাওয়া যাচ্ছে না মাছ।যাও বা পাওয়া যাচ্ছে দাম শুনে মাথায় হাট পর্যটকদের।এক plate রুই মাছ তিনশো টাকা,এক plate ছোট মাছ 500টাকা।ফলে মাছের বদলে মাংশ কিংবা ডিম দিয়ে খাচ্ছেন পর্যটকেরা।

কেন এত দাম।মাছের যেসব গাড়ি পাহাড়ে ওঠে তারা শুধুমাত্র মাছ নিয়েই ওঠে,গাড়িভাড়া এবং অন্যান্য খরচ দিয়ে তারা পাহাড়ে উঠতেই চাচ্ছেন না।যারা যাচ্ছেন তাদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে মোটা টাকা।আগে দিনে পাহাড়ে দশটা গাড়ি উঠত এখন সেখানে দুটো গাড়িও উঠছে না।যেসব গাড়ি পাহাড়ে যাচ্ছেন তারা মোটা টাকা দাবী করছেন।অনেক হোটেল কতৃপক্ষ সরাসরি মাছ বুকিং করছেন গাড়িতে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে,কিন্তুু সবার পক্ষে সম্ভব নয় অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গাড়ি বুকিং করা।ফলে হোটেল এবং লজগুলিতে মাছ পাওয়া যাচ্ছেন ঠিকমত।যেসব বাঙ্গালী পর্যটক পাহাড়ে আছেন তারা মাছ চেয়েও মাছ পাচ্ছেন না।ফলে খাদ্যরসিক বাঙ্গালী মাছ ছাড়াই পাহাড়ে ঘুরছেন।এমনিতেই প্রায় তিনগুন ভাড়া পাহাড়ে হয়ে গেছে এখন।তার উপরে মাছের গাড়িগুলিকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই উঠতে হচ্ছে পাহাড়ে।যার কারনে পাহাড়ে মাছের আকাল হয়ে গেছে।

দলীপ ট্রফির ফাইনাল রবিবার, ১০০তম প্রথম-শ্রেণির ম্যাচ পূর্ণ করার সময় শামীকে অভিনন্দন জানাবে সিএবি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পাহাড়ে মাছের অস্বাভাবিক দাম

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২২, মঙ্গলবার

উত্তরবঙ্গ: উঠছে না গাড়ি।পাহাড়ে উঠছে না কোন মাছই।পেট্রল ডিজেলের দামের কারনে পাহাড়ে উঠছে না মাছের গাড়ি।ফলে হোটেলগুলিতে পাওয়া যাচ্ছে না মাছ।যাও বা পাওয়া যাচ্ছে দাম শুনে মাথায় হাট পর্যটকদের।এক plate রুই মাছ তিনশো টাকা,এক plate ছোট মাছ 500টাকা।ফলে মাছের বদলে মাংশ কিংবা ডিম দিয়ে খাচ্ছেন পর্যটকেরা।

কেন এত দাম।মাছের যেসব গাড়ি পাহাড়ে ওঠে তারা শুধুমাত্র মাছ নিয়েই ওঠে,গাড়িভাড়া এবং অন্যান্য খরচ দিয়ে তারা পাহাড়ে উঠতেই চাচ্ছেন না।যারা যাচ্ছেন তাদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে মোটা টাকা।আগে দিনে পাহাড়ে দশটা গাড়ি উঠত এখন সেখানে দুটো গাড়িও উঠছে না।যেসব গাড়ি পাহাড়ে যাচ্ছেন তারা মোটা টাকা দাবী করছেন।অনেক হোটেল কতৃপক্ষ সরাসরি মাছ বুকিং করছেন গাড়িতে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে,কিন্তুু সবার পক্ষে সম্ভব নয় অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গাড়ি বুকিং করা।ফলে হোটেল এবং লজগুলিতে মাছ পাওয়া যাচ্ছেন ঠিকমত।যেসব বাঙ্গালী পর্যটক পাহাড়ে আছেন তারা মাছ চেয়েও মাছ পাচ্ছেন না।ফলে খাদ্যরসিক বাঙ্গালী মাছ ছাড়াই পাহাড়ে ঘুরছেন।এমনিতেই প্রায় তিনগুন ভাড়া পাহাড়ে হয়ে গেছে এখন।তার উপরে মাছের গাড়িগুলিকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই উঠতে হচ্ছে পাহাড়ে।যার কারনে পাহাড়ে মাছের আকাল হয়ে গেছে।