০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

শিশু মৃত্যুর জের, মালদা মেডিক্যালে সুপার ও বিভাগীয় প্রধান বদল

মালদা: মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনার জেরে বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের। সরিয়ে দেওয়া হল মেডিকেল কলেজের এমএসভিপি প্রসেনজিৎ কুমার বর এবং শিশু বিভাগের এইচওডি সুষমা সাও-কে। তাঁদের পরিবর্তে নতুন সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন ইএনটি বিভাগের এইচওডি গণেশ চন্দ্র গাইন। শিশু বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বিশ্বনাথ বসু-কে।
প্রসঙ্গত, আগস্ট মাসে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৮৯ জন নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। বিষয়টি ঘিরে রাজ্যজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হলে কারণ খতিয়ে দেখতে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি তদন্ত কমিটির সদস্যরা মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
পরিদর্শন ও বৈঠকের পর তদন্ত কমিটির রিপোর্ট স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানো হয়। রিপোর্ট জমা পড়ার কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাস্থ্য দপ্তরের এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের সামনে এখন হাসপাতালের পরিষেবা ব্যবস্থার উন্নতি এবং বিশেষ করে শিশু ও নবজাতক চিকিৎসায় পরিকাঠামো ও পরিষেবার মান আরও জোরদার করার বড় চ্যালেঞ্জ। একসঙ্গে শীর্ষ দুই আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় মালদা মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে মিলল ৫৫ জনের মরদেহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিশু মৃত্যুর জের, মালদা মেডিক্যালে সুপার ও বিভাগীয় প্রধান বদল

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
মালদা: মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনার জেরে বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের। সরিয়ে দেওয়া হল মেডিকেল কলেজের এমএসভিপি প্রসেনজিৎ কুমার বর এবং শিশু বিভাগের এইচওডি সুষমা সাও-কে। তাঁদের পরিবর্তে নতুন সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন ইএনটি বিভাগের এইচওডি গণেশ চন্দ্র গাইন। শিশু বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বিশ্বনাথ বসু-কে।
প্রসঙ্গত, আগস্ট মাসে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৮৯ জন নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। বিষয়টি ঘিরে রাজ্যজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হলে কারণ খতিয়ে দেখতে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি তদন্ত কমিটির সদস্যরা মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
পরিদর্শন ও বৈঠকের পর তদন্ত কমিটির রিপোর্ট স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানো হয়। রিপোর্ট জমা পড়ার কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাস্থ্য দপ্তরের এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের সামনে এখন হাসপাতালের পরিষেবা ব্যবস্থার উন্নতি এবং বিশেষ করে শিশু ও নবজাতক চিকিৎসায় পরিকাঠামো ও পরিষেবার মান আরও জোরদার করার বড় চ্যালেঞ্জ। একসঙ্গে শীর্ষ দুই আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় মালদা মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।