০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

ফের করোনার থাবা জলপাইগুড়ি শহরে

জলপাইগুড়ি: ফের করোনার থাবা জলপাইগুড়ি শহরে। দীর্ঘ কয়েক মাস যাবত করোনা পরিস্থিতি দেশের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য এবং জেলাতেও স্বাভাবিক হওয়ার ফলে আগের রূপে ফিরে আসেন সাধারণ মানুষজন। খুলে দেওয়া হয় সমস্ত স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে বাজার হাট শপিং মল অফিস কাছারি। উঠে যায় সরকারি নিষেধাজ্ঞাও। তবে মাস্ক ব্যবহার এবং শারীরিক দূরত্বের বিষয়টি বজায় ছিল। কিন্তু কিছুদিন কাটতে না কাটতেই ফের করোনা থাবা দেশে। দিল্লিতে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি রাজ্যের মতন পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি শহরে ফের থাবা বসালো করোনা। যার ফলে চিন্তা বেড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। মানুষের মধ্যে উঠছে প্রশ্ন, তাহলে কি আবার নতুন ঢেউয়ের আশঙ্কা।

জলপাইগুড়ি পৌরসভার উপ পৌর পিতা সৈকত চ্যাটার্জী বলেন গত দুমাস ধরে শহরে করোনা পজিটিভ ধরা না পড়ায় বেশ স্বস্তি ফিরে এসেছিল। কিন্তু শহরের পানডা পাড়া এলাকার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে এক যুবকের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর ওই এলাকায় গিয়ে জলপাইগুড়ি পৌরসভার উপ পৌর পিতা সৈকত চ্যাটার্জী এলাকা স্যানিটাইজেশন করার পাশাপাশি ওই পরিবারকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। নতুন করে করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে তিনি সাধারণ মানুষের মাক্স না পড়ার প্রবণতাকেই দায়ী করেন। তিনি বলেন কিছু কিছু মানুষ এখনো সচেতন নয়। তারা সচরাচর মুখে মাক্স পড়েন না।যার ফলে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। তিনি সাধারণ মানুষকে আবেদন করেন, হাটে বাজারে এলে মাক্স বাধ্যতামূলক ভাবে ব্যবহার করার জন্য এবং সেনিটাইজার ব্যবহার করার জন্য।

দলীপ ট্রফির ফাইনাল রবিবার, ১০০তম প্রথম-শ্রেণির ম্যাচ পূর্ণ করার সময় শামীকে অভিনন্দন জানাবে সিএবি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফের করোনার থাবা জলপাইগুড়ি শহরে

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২২, মঙ্গলবার

জলপাইগুড়ি: ফের করোনার থাবা জলপাইগুড়ি শহরে। দীর্ঘ কয়েক মাস যাবত করোনা পরিস্থিতি দেশের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য এবং জেলাতেও স্বাভাবিক হওয়ার ফলে আগের রূপে ফিরে আসেন সাধারণ মানুষজন। খুলে দেওয়া হয় সমস্ত স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে বাজার হাট শপিং মল অফিস কাছারি। উঠে যায় সরকারি নিষেধাজ্ঞাও। তবে মাস্ক ব্যবহার এবং শারীরিক দূরত্বের বিষয়টি বজায় ছিল। কিন্তু কিছুদিন কাটতে না কাটতেই ফের করোনা থাবা দেশে। দিল্লিতে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি রাজ্যের মতন পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি শহরে ফের থাবা বসালো করোনা। যার ফলে চিন্তা বেড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। মানুষের মধ্যে উঠছে প্রশ্ন, তাহলে কি আবার নতুন ঢেউয়ের আশঙ্কা।

জলপাইগুড়ি পৌরসভার উপ পৌর পিতা সৈকত চ্যাটার্জী বলেন গত দুমাস ধরে শহরে করোনা পজিটিভ ধরা না পড়ায় বেশ স্বস্তি ফিরে এসেছিল। কিন্তু শহরের পানডা পাড়া এলাকার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে এক যুবকের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর ওই এলাকায় গিয়ে জলপাইগুড়ি পৌরসভার উপ পৌর পিতা সৈকত চ্যাটার্জী এলাকা স্যানিটাইজেশন করার পাশাপাশি ওই পরিবারকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। নতুন করে করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে তিনি সাধারণ মানুষের মাক্স না পড়ার প্রবণতাকেই দায়ী করেন। তিনি বলেন কিছু কিছু মানুষ এখনো সচেতন নয়। তারা সচরাচর মুখে মাক্স পড়েন না।যার ফলে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। তিনি সাধারণ মানুষকে আবেদন করেন, হাটে বাজারে এলে মাক্স বাধ্যতামূলক ভাবে ব্যবহার করার জন্য এবং সেনিটাইজার ব্যবহার করার জন্য।