১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল স্কুল ফলে কচিকাঁচারা আবদ্ধ ছিল ঘরেই

নিজস্ব প্রতিবেদক:- দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল স্কুল। ফলে কচিকাঁচারা আবদ্ধ ছিল ঘরেই। তবে এরইমধ্যে খুলেছে স্কুলের দরজা। দীর্ঘদিন পর স্কুল খোলায় খুশি কচিকাঁচারা। আর সেই খুশি আনন্দকে দ্বিগুণ করতে বর্ধমান ইংলিশ মিডিয়াম কিডজি স্কুলের পক্ষ থেকে কচিকাঁচাদের নিয়ে আসা হল পূর্ব বর্ধমান জেলার রমনা বাগান চিড়িয়াখানায়। বাঘ, ভাল্লুক, হরিণ, কুমির ও নানারকম পশুপাখি দেখে দারুণ উৎসাহিত কিডজি স্কুলের শিশুরা। কচিকাঁচাদের সঙ্গে এদিন ভিড় করেছিলেন শিক্ষক শিক্ষিকারা ও অভিভাবকরাও। দু বছর পর দেখা গেল জমজমাট বর্ধমান শহরে রমনাবাগান চিড়িয়াখানা। আর এদিন শিশুদের পেয়ে চিড়িয়াখানার পশু পাখিরাও যেনো অক্সিজেন পেল। পড়াশোনার সঙ্গে বাচ্চাদের একটু অন্য স্বাদ দিতে এগিয়ে এল স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা। এই আয়োজনে খুশি অভিভাবক অভিভাবিকারা।এদিন খোলা আকাশের নীচে প্রকৃতির কোলে ছুটো ছুটি করতে দেখা গেল অনেক শিশুকেই। কাওকে আবার দেখা গেল বাবা মায়ের হাত ধরে পশু পাখি চিনে নিতে চেষ্টা করতে। এদিন সারা চিড়িয়াখানা যেন মেতে উঠেছিল কচিকাঁচাদের সঙ্গে। স্কুলের শিক্ষিকা অনামিকা রায় বলেন, “প্রতি বছর এরকম এক্সকর্শন হয়েই থাকে স্কুলের পক্ষ থেকে। গত দু বছর স্কুল বন্ধ থাকায় সম্ভব হয় নি। তাই স্কুল খুলতেই বাচ্চাদের নিয়ে এক্সকর্শনে বেড়িয়ে পড়েছি আমরা। বাচ্চারা খুব আনন্দিত। বাবা মায়েরাও খুব খুশি।” এ বিষয়ে অভিভাবকরা বলেন, বাচ্চারা তো খুশি, তাঁরাও খুশি। অনেক দিন পর ঘুরতে বেড়াতে পেরে বেশ ভালো লাগছে তাঁদেরও।

১২ বছর পর পাকিস্তানে যাবেন মোদী? ইসলামাবাদে SCO সম্মেলনে আমন্ত্রণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল স্কুল ফলে কচিকাঁচারা আবদ্ধ ছিল ঘরেই

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২২, বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:- দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল স্কুল। ফলে কচিকাঁচারা আবদ্ধ ছিল ঘরেই। তবে এরইমধ্যে খুলেছে স্কুলের দরজা। দীর্ঘদিন পর স্কুল খোলায় খুশি কচিকাঁচারা। আর সেই খুশি আনন্দকে দ্বিগুণ করতে বর্ধমান ইংলিশ মিডিয়াম কিডজি স্কুলের পক্ষ থেকে কচিকাঁচাদের নিয়ে আসা হল পূর্ব বর্ধমান জেলার রমনা বাগান চিড়িয়াখানায়। বাঘ, ভাল্লুক, হরিণ, কুমির ও নানারকম পশুপাখি দেখে দারুণ উৎসাহিত কিডজি স্কুলের শিশুরা। কচিকাঁচাদের সঙ্গে এদিন ভিড় করেছিলেন শিক্ষক শিক্ষিকারা ও অভিভাবকরাও। দু বছর পর দেখা গেল জমজমাট বর্ধমান শহরে রমনাবাগান চিড়িয়াখানা। আর এদিন শিশুদের পেয়ে চিড়িয়াখানার পশু পাখিরাও যেনো অক্সিজেন পেল। পড়াশোনার সঙ্গে বাচ্চাদের একটু অন্য স্বাদ দিতে এগিয়ে এল স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা। এই আয়োজনে খুশি অভিভাবক অভিভাবিকারা।এদিন খোলা আকাশের নীচে প্রকৃতির কোলে ছুটো ছুটি করতে দেখা গেল অনেক শিশুকেই। কাওকে আবার দেখা গেল বাবা মায়ের হাত ধরে পশু পাখি চিনে নিতে চেষ্টা করতে। এদিন সারা চিড়িয়াখানা যেন মেতে উঠেছিল কচিকাঁচাদের সঙ্গে। স্কুলের শিক্ষিকা অনামিকা রায় বলেন, “প্রতি বছর এরকম এক্সকর্শন হয়েই থাকে স্কুলের পক্ষ থেকে। গত দু বছর স্কুল বন্ধ থাকায় সম্ভব হয় নি। তাই স্কুল খুলতেই বাচ্চাদের নিয়ে এক্সকর্শনে বেড়িয়ে পড়েছি আমরা। বাচ্চারা খুব আনন্দিত। বাবা মায়েরাও খুব খুশি।” এ বিষয়ে অভিভাবকরা বলেন, বাচ্চারা তো খুশি, তাঁরাও খুশি। অনেক দিন পর ঘুরতে বেড়াতে পেরে বেশ ভালো লাগছে তাঁদেরও।