০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

অসুস্থ ছোট্ট সায়ন এর পাশে দাঁড়ালো “মহানুভবতার দেয়াল” জলঙ্গীতে

অসুস্থ ছোট্ট সায়ন এর পাশে দাঁড়ালো “মহানুভবতার দেয়াল” জলঙ্গীতে

শহিদুল ইসলাম , জলঙ্গী:  ছোট্ট সায়ন অর্থাৎ সায়ন ইসলাম (৫), যার এখন বন্ধুদের সাথে খেলার বয়স কিন্তু দিনে দিনে নির্বাক অসাড় পঙ্গু প্রায় অসুস্থ হয়ে মায়ের কোলে দিন কাটাচ্ছে। এমন কথা শুনে জলঙ্গীর “মহানুভবতার দেয়াল” এর সদস্যরা তার বাড়ি গিয়ে বিষয়টা খতিয়ে দেখে ছোট্ট সায়নের বাবার হাতে একমাসের ঔষধ কিনে তুলে দেয় এবং পাশে থাকবারও আশ্বাস দেয়।
মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গী ব্লকের বড়বিলা গ্রামের বাসিন্দা ওহিদুল ইসলাম পেশায় রাজমিস্ত্রী লেবার। তার ছোট্ট ছেলে সায়ন তিন বছর আগে যখন বয়স ছিল আড়াই বছর মতো। বন্ধুদের সাথে খেলতে খেলতে একবন্ধু ধাক্কা দিলে মাথায় আঘাত পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় সাদিখাঁনদেয়াড় গ্রামীণ হসপিটালে সেখান থেকে ডোমকল হসপিটাল থেকে বহরমপুর হসপিটাল থেকে কলকাতার PG হসপিটালে ভর্তি করলে জানা যায় সায়নের মাথায় রক্ত জমেছে, বয়স কম হওয়ায় তার অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু ডাক্তার বাবুরা জানায় বয়স বেশি না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন ঔষধ খেয়ে যেয়ে হবে। সায়নের বাবা জানায় এভাবে কিছু দিন চললেও পরে ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে ধার দেনা করে কিছু টাকা জমিয়ে মুম্বাইয়ের কয়েকটি হসপিটালে চিকিৎসা করলে ডাক্তার বাবুরা জামায় তার ব্রেনে রক্ত জমায় ইনফেকশন হয়েছে। তার পর থেকে সায়ন অসাড়- নির্বাক পঙ্গু হয়ে মায়ের কোলে দিন কাটাচ্ছে। বর্তমানে কভিড পরিস্থিতিতে লকডাউনের জন্য কেরালায় কাজে যাওয়া বন্ধ, এখানেও ঠিকমতো কাজ হয় না যার জন্য সায়নের চিকিৎসা করা ও ঔষধ ঠিকমতো কেনা সম্ভব হচ্ছে না। সেই সাথে অর্থাভাবে সংসার চালানোও বড় কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অসুস্থ সায়নের মুখের পানে চেয়ে মা রাজিয়া বিবির দুচোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। তার মা জানায়- আমাদের কাছে আর কোনো ঔষধ কেনবার মতো টাকা নেই। আমার অসুস্থ ছোট্ট ছেলে সায়ন কে বাঁচিয়ে তুলতে কেউ সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে বড় উপকার হয়। সায়নের বাবা ওহিদুল ইসলাম আরও জানায় – “মহানুভবতার দেয়াল “যে ভাবে পাশে এসে দাঁড়িয়ে এক মাসের ঔষধ কিনে দিয়েছে এবং আরও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে, যা আমাদের কাছে বড় পাওয়া। সরকারি ভাবেও যদি সাহায্য সহযোগিতা পেতাম তাহলে বড় উপহার হতো।

পাকিস্তানের রেকর্ডের সমকক্ষ জার্মানি: পুরুষদের হকি বিশ্বকাপ বিজয়ীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অসুস্থ ছোট্ট সায়ন এর পাশে দাঁড়ালো “মহানুভবতার দেয়াল” জলঙ্গীতে

আপডেট : ৩ জুলাই ২০২১, শনিবার

অসুস্থ ছোট্ট সায়ন এর পাশে দাঁড়ালো “মহানুভবতার দেয়াল” জলঙ্গীতে

শহিদুল ইসলাম , জলঙ্গী:  ছোট্ট সায়ন অর্থাৎ সায়ন ইসলাম (৫), যার এখন বন্ধুদের সাথে খেলার বয়স কিন্তু দিনে দিনে নির্বাক অসাড় পঙ্গু প্রায় অসুস্থ হয়ে মায়ের কোলে দিন কাটাচ্ছে। এমন কথা শুনে জলঙ্গীর “মহানুভবতার দেয়াল” এর সদস্যরা তার বাড়ি গিয়ে বিষয়টা খতিয়ে দেখে ছোট্ট সায়নের বাবার হাতে একমাসের ঔষধ কিনে তুলে দেয় এবং পাশে থাকবারও আশ্বাস দেয়।
মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গী ব্লকের বড়বিলা গ্রামের বাসিন্দা ওহিদুল ইসলাম পেশায় রাজমিস্ত্রী লেবার। তার ছোট্ট ছেলে সায়ন তিন বছর আগে যখন বয়স ছিল আড়াই বছর মতো। বন্ধুদের সাথে খেলতে খেলতে একবন্ধু ধাক্কা দিলে মাথায় আঘাত পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় সাদিখাঁনদেয়াড় গ্রামীণ হসপিটালে সেখান থেকে ডোমকল হসপিটাল থেকে বহরমপুর হসপিটাল থেকে কলকাতার PG হসপিটালে ভর্তি করলে জানা যায় সায়নের মাথায় রক্ত জমেছে, বয়স কম হওয়ায় তার অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু ডাক্তার বাবুরা জানায় বয়স বেশি না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন ঔষধ খেয়ে যেয়ে হবে। সায়নের বাবা জানায় এভাবে কিছু দিন চললেও পরে ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে ধার দেনা করে কিছু টাকা জমিয়ে মুম্বাইয়ের কয়েকটি হসপিটালে চিকিৎসা করলে ডাক্তার বাবুরা জামায় তার ব্রেনে রক্ত জমায় ইনফেকশন হয়েছে। তার পর থেকে সায়ন অসাড়- নির্বাক পঙ্গু হয়ে মায়ের কোলে দিন কাটাচ্ছে। বর্তমানে কভিড পরিস্থিতিতে লকডাউনের জন্য কেরালায় কাজে যাওয়া বন্ধ, এখানেও ঠিকমতো কাজ হয় না যার জন্য সায়নের চিকিৎসা করা ও ঔষধ ঠিকমতো কেনা সম্ভব হচ্ছে না। সেই সাথে অর্থাভাবে সংসার চালানোও বড় কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অসুস্থ সায়নের মুখের পানে চেয়ে মা রাজিয়া বিবির দুচোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। তার মা জানায়- আমাদের কাছে আর কোনো ঔষধ কেনবার মতো টাকা নেই। আমার অসুস্থ ছোট্ট ছেলে সায়ন কে বাঁচিয়ে তুলতে কেউ সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে বড় উপকার হয়। সায়নের বাবা ওহিদুল ইসলাম আরও জানায় – “মহানুভবতার দেয়াল “যে ভাবে পাশে এসে দাঁড়িয়ে এক মাসের ঔষধ কিনে দিয়েছে এবং আরও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে, যা আমাদের কাছে বড় পাওয়া। সরকারি ভাবেও যদি সাহায্য সহযোগিতা পেতাম তাহলে বড় উপহার হতো।