১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মেমারি থানার পুলিশ ২৩ বস্তা শব্দবাজি সহ আটক করল ২ যুবককে

সেখ সামসুদ্দিন : মেমারি কালনা রোডের মাতিশ্বর বাজার এলাকায় টহলরত থাকা অবস্থায় মেমারি থানার পুলিশ ২৩ বস্তা শব্দবাজি সহ আটক করল ২ যুবককে। ধৃত দুই যুবকের মধ‍্যে একজন সেখ শামীম, বাড়ি বর্ধমানের মেহেদিবাগান এলাকায়। অপরজন সেখ ইমরান, বাড়ী দুবরাজপুর এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে মেমারি থানার পুলিশ মেমারি কালনা রোডের ওপর টহলরত থাকাকালীন একটি ছোট ম‍্যাটাডোর গাড়ি সন্দেহজনকভাবে পুলিশকে দেখে দ্রুত গতিতে পালাতে যায়। কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারের সন্দেহ হওয়ায় গাড়িটিকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ও তল্লাশি করতে দেখা যায় পিছনের ডালা ভর্তি বেশ কিছু শব্দ বোমা সন্দেহজনকভাবে আটকানো রয়েছে। এর পরেই কর্তব্যরত পুলিশ বাজি ভর্তি ওই গাড়ি সহ ২ জনকে আটক করে। বাজেয়াপ্ত ওই শব্দবাজির আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা। কালনা থেকে বর্ধমানের মেহেদিবাগান এলাকায় ওই প্রচুর পরিমাণ শব্দবাজি নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বাজেয়াপ্ত শব্দবাজি তীব্রতা ৬৫ ডেসিবেলের বেশি। ধৃতদের আজ বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেমারি থানার পুলিশ ২৩ বস্তা শব্দবাজি সহ আটক করল ২ যুবককে

আপডেট : ৫ অক্টোবর ২০২০, সোমবার

সেখ সামসুদ্দিন : মেমারি কালনা রোডের মাতিশ্বর বাজার এলাকায় টহলরত থাকা অবস্থায় মেমারি থানার পুলিশ ২৩ বস্তা শব্দবাজি সহ আটক করল ২ যুবককে। ধৃত দুই যুবকের মধ‍্যে একজন সেখ শামীম, বাড়ি বর্ধমানের মেহেদিবাগান এলাকায়। অপরজন সেখ ইমরান, বাড়ী দুবরাজপুর এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে মেমারি থানার পুলিশ মেমারি কালনা রোডের ওপর টহলরত থাকাকালীন একটি ছোট ম‍্যাটাডোর গাড়ি সন্দেহজনকভাবে পুলিশকে দেখে দ্রুত গতিতে পালাতে যায়। কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারের সন্দেহ হওয়ায় গাড়িটিকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ও তল্লাশি করতে দেখা যায় পিছনের ডালা ভর্তি বেশ কিছু শব্দ বোমা সন্দেহজনকভাবে আটকানো রয়েছে। এর পরেই কর্তব্যরত পুলিশ বাজি ভর্তি ওই গাড়ি সহ ২ জনকে আটক করে। বাজেয়াপ্ত ওই শব্দবাজির আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা। কালনা থেকে বর্ধমানের মেহেদিবাগান এলাকায় ওই প্রচুর পরিমাণ শব্দবাজি নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বাজেয়াপ্ত শব্দবাজি তীব্রতা ৬৫ ডেসিবেলের বেশি। ধৃতদের আজ বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়।