১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 25
হাসান লস্কর, কুলতলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলিতে বাঘের লোকালয়ে প্রবেশের ঝুঁকি কমাতে এবং রাতের চলাচল নিরাপদ করতে ১৯০টি সৌরশক্তিচালিত পথবাতি বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় আলো পৌঁছে দিয়ে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাতের আশঙ্কা কমানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
কুলতলির পূর্ব গুড়গুড়িয়া রবীন্দ্র কালচারাল সোসাইটিতে প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাং, দক্ষিণ ২৪ পরগনা বন বিভাগের বিভাগীয় বনাধিকারিক, সহকারী বিভাগীয় বনাধিকারিক, রেঞ্জার ও বিট আধিকারিকেরা। এছাড়াও ছিলেন বন দফতরের আধিকারিক নৃশা গোস্বামী, মৈপীঠ উপকূলীয় থানার পুলিশকর্মী, বনকর্মী, ভারত পেট্রোলিয়ামের প্রতিনিধি রাজকুমার মাহাত, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
সুন্দরবন লাগোয়া গ্রামগুলিতে সন্ধ্যার পর অন্ধকারের কারণে যাতায়াতে সমস্যায় পড়েন বাসিন্দারা। লোকালয়ের কাছে বাঘের উপস্থিতি ঘিরেও আতঙ্ক তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে সৌরশক্তিচালিত পথবাতি বসানোর উদ্যোগে রাতের চলাচল নিরাপদ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, পরিবেশবান্ধব এই ব্যবস্থা বিদ্যুতের উপর নির্ভরতাও কমাবে।
অন্যদিকে, পুজোর আগে সামাজিক দায়বদ্ধতার উদ্যোগে কয়েকশো মহিলার হাতে পোশাক তুলে দেওয়া হয়। নিরাপত্তা ও সামাজিক সহায়তার এই উদ্যোগে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দারা উপকৃত হবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
হাসান লস্কর, কুলতলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলিতে বাঘের লোকালয়ে প্রবেশের ঝুঁকি কমাতে এবং রাতের চলাচল নিরাপদ করতে ১৯০টি সৌরশক্তিচালিত পথবাতি বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় আলো পৌঁছে দিয়ে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাতের আশঙ্কা কমানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
কুলতলির পূর্ব গুড়গুড়িয়া রবীন্দ্র কালচারাল সোসাইটিতে প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাং, দক্ষিণ ২৪ পরগনা বন বিভাগের বিভাগীয় বনাধিকারিক, সহকারী বিভাগীয় বনাধিকারিক, রেঞ্জার ও বিট আধিকারিকেরা। এছাড়াও ছিলেন বন দফতরের আধিকারিক নৃশা গোস্বামী, মৈপীঠ উপকূলীয় থানার পুলিশকর্মী, বনকর্মী, ভারত পেট্রোলিয়ামের প্রতিনিধি রাজকুমার মাহাত, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
সুন্দরবন লাগোয়া গ্রামগুলিতে সন্ধ্যার পর অন্ধকারের কারণে যাতায়াতে সমস্যায় পড়েন বাসিন্দারা। লোকালয়ের কাছে বাঘের উপস্থিতি ঘিরেও আতঙ্ক তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে সৌরশক্তিচালিত পথবাতি বসানোর উদ্যোগে রাতের চলাচল নিরাপদ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, পরিবেশবান্ধব এই ব্যবস্থা বিদ্যুতের উপর নির্ভরতাও কমাবে।
অন্যদিকে, পুজোর আগে সামাজিক দায়বদ্ধতার উদ্যোগে কয়েকশো মহিলার হাতে পোশাক তুলে দেওয়া হয়। নিরাপত্তা ও সামাজিক সহায়তার এই উদ্যোগে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দারা উপকৃত হবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।