মানিকচক: ক্ষতিপূরণের টাকা মিলেছে, কিন্তু মাথা গোঁজার ঠাঁই কোথায়? গঙ্গার ভাঙনে ভিটেমাটি হারানো মালদার কেশরপুরের ২৮২টি পরিবারের এখন এটাই বড় প্রশ্ন। মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে ঘর তৈরির অনুদান পেলেও জমি না থাকায় স্থায়ী পুনর্বাসন অনিশ্চিত। তাই ফের পাট্টার জমির দাবিতে সরব হয়েছেন বাঁধে আশ্রয় নেওয়া দুর্গতরা।
পরপর দু’বছর গঙ্গাভাঙনে বসতভিটে ও চাষের জমি হারিয়ে নতুন রিং বাঁধে আশ্রয় নেন তাঁরা। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে ত্রিপলের নীচে কোনওমতে দিন কাটছে। এ বছরের বন্যায় সেই অস্থায়ী আশ্রয়েরও বড় অংশ তলিয়ে গিয়েছে। এখন বাঁধের অবশিষ্ট অংশই তাঁদের শেষ ভরসা।
রাজ্য সরকার মালদায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২৫ হাজার পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দিয়েছে। সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। কেশরপুরের ২৮২টি পরিবারের মধ্যে প্রায় ২২০ জন ইতিমধ্যে সেই টাকা পেয়েছেন। বাকিদের টাকা ব্যাংক-সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে রয়েছে।
অনিল মাহাতো, শোভা মাহাতো ও রামকৃষ্ণ চৌধুরীদের আক্ষেপ, “বাড়ি করার জমিই নেই, টাকা দিয়ে কী হবে? দ্রুত পাট্টার জমির ব্যবস্থা করুক সরকার।”
মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডলের আশ্বাস, “কাউকে কোথাও যেতে হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রুত আদর্শ গ্রামে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। সব সুযোগ-সুবিধা দেবে রাজ্য সরকার।”
কিন্তু সেই পুনর্বাসন কবে বাস্তবায়িত হবে, সেই অপেক্ষাতেই দিন গুনছেন গঙ্গাভাঙনে সর্বস্বান্ত পরিবারগুলি।
নতুন গতি 





















