১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পাহাড়ে প্রথম দুর্গাপুজো, এক আবেগে বাঁধল তিন গ্রাম!

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 17
শিলিগুড়ি: পাহাড়ের কোলে প্রথমবার মা দুর্গার আরাধনা ঘিরে উৎসবের উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা মজুয়া, চমকডাঙি ও লালটং বস্তি। তিন এলাকার বাসিন্দাদের সম্মিলিত উদ্যোগে শুরু হয়েছে প্রথম সার্বজনীন দুর্গাপুজো। নতুন এই আয়োজন ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও আবেগ।
এতদিন দুর্গাপুজোর আনন্দ উপভোগ করতে অন্যত্র যেতে হতো এলাকার বাসিন্দাদের। এবার নিজেদের এলাকাতেই দেবী আরাধনার সুযোগ পেয়ে খুশি তাঁরা। শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, তিন গ্রামের মানুষের ঐক্য, সম্প্রীতি ও মিলনের বার্তা দিচ্ছে এই উদ্যোগ।
পুজো উপলক্ষে আগামী ন’দিন ধরে চলবে দেবী আরাধনা, পুজো-পাঠ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণ। পাশাপাশি বসবে মেলা। ফলে পুজোকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের এই তিন এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবের বিশেষ আবহ।
উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য, পুজোকে কেন্দ্র করে তিন এলাকার মানুষকে একসূত্রে বাঁধা এবং পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্প্রীতি আরও দৃঢ় করা। প্রথম বছরেই এই পুজো ঘিরে যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে, তাতে আগামী দিনে এটি এলাকার শারদোৎসবের নতুন ঐতিহ্য হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারা।
পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশে মা দুর্গার আগমন তাই শুধু নতুন পুজোর সূচনা নয়, তিন গ্রামের মানুষের সম্মিলিত স্বপ্ন ও আনন্দেরও উদ্‌যাপন।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পাহাড়ে প্রথম দুর্গাপুজো, এক আবেগে বাঁধল তিন গ্রাম!

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
শিলিগুড়ি: পাহাড়ের কোলে প্রথমবার মা দুর্গার আরাধনা ঘিরে উৎসবের উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা মজুয়া, চমকডাঙি ও লালটং বস্তি। তিন এলাকার বাসিন্দাদের সম্মিলিত উদ্যোগে শুরু হয়েছে প্রথম সার্বজনীন দুর্গাপুজো। নতুন এই আয়োজন ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও আবেগ।
এতদিন দুর্গাপুজোর আনন্দ উপভোগ করতে অন্যত্র যেতে হতো এলাকার বাসিন্দাদের। এবার নিজেদের এলাকাতেই দেবী আরাধনার সুযোগ পেয়ে খুশি তাঁরা। শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, তিন গ্রামের মানুষের ঐক্য, সম্প্রীতি ও মিলনের বার্তা দিচ্ছে এই উদ্যোগ।
পুজো উপলক্ষে আগামী ন’দিন ধরে চলবে দেবী আরাধনা, পুজো-পাঠ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণ। পাশাপাশি বসবে মেলা। ফলে পুজোকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের এই তিন এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবের বিশেষ আবহ।
উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য, পুজোকে কেন্দ্র করে তিন এলাকার মানুষকে একসূত্রে বাঁধা এবং পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্প্রীতি আরও দৃঢ় করা। প্রথম বছরেই এই পুজো ঘিরে যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে, তাতে আগামী দিনে এটি এলাকার শারদোৎসবের নতুন ঐতিহ্য হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারা।
পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশে মা দুর্গার আগমন তাই শুধু নতুন পুজোর সূচনা নয়, তিন গ্রামের মানুষের সম্মিলিত স্বপ্ন ও আনন্দেরও উদ্‌যাপন।