০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
০৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

তরুণীকে তিনদিন ধরে ধর্ষণ তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারের, গ্রেফতার ১

নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি: মেখলিগঞ্জ থেকে ধুপগুড়িতে নিয়ে এসে তরুণীকে তিনদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগ তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে। ঘটনায় এক সিভিক ভলেন্টিয়ার গ্রেফতার হয় কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের হাতে। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম বুলবুল আলম (৩০)। ধূপগুড়ির ভেমটিয়া এলাকার বাসিন্দা বুলবুল ধূপগুড়ি থানায় কর্মরত। এদিকে বাকি দুই সিভিক ভলেন্টিয়ার এখনো পলাতক এবং তাঁদের খোঁজে চলছে পুলিশি তল্লাশি।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত সপ্তাহে অভিযুক্ত তিন সিভিক ভলান্টিয়ার নির্যাতিতাকে মেখলিগঞ্জ থেকে ভুলিয়ে ধূপগুড়িতে নিয়ে আসেন এবং বাড়ি ভাড়া করে তাঁকে রাখে। অভিযোগ, নির্যাতিতাকে দফায় দফায় ধর্ষণ করা হয়। মেখলিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর তদন্তে নামে কোচবিহার জেলা পুলিশ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিন অভিযুক্তই ধূপগুড়ি থানায় সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি করেন। আরও জানা যায়, এই তিন অভিযুক্ত ও তাঁদের বন্ধুবান্ধব আগেও এমন অপরাধ একাধিকবার ঘটিয়েছেন। তবে তাঁরা যেই চাকরিতে নিযুক্ত, তাতে কেউ তাঁদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়েরের সাহস পাননি।
অত্যাচার সহ্য না করতে পেরে নির্যাতিতা অবশেষে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর পরিবারও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। ঘটনা প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) সৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে জলপাইগুড়ি জেলা এবং কোচবিহার জেলা পুলিশ একজন সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্ত আরও দুই সিভিক ভলান্টিয়ারের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে ঘটনাটি এখানকার নয়, সেই কারণে এখানে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত করছে। তারা সহায়তা চাওয়ায় জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে নেমেছিল।”
সর্বাধিক পাঠিত

পশ্চিমবঙ্গ আবাসের উপভোক্তাদের জন্য দ্বিতীয় কিস্তির আর্থিক সহায়তা প্রদান শুরু হল রাজনগরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তরুণীকে তিনদিন ধরে ধর্ষণ তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারের, গ্রেফতার ১

আপডেট : ৬ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি: মেখলিগঞ্জ থেকে ধুপগুড়িতে নিয়ে এসে তরুণীকে তিনদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগ তিন সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে। ঘটনায় এক সিভিক ভলেন্টিয়ার গ্রেফতার হয় কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের হাতে। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম বুলবুল আলম (৩০)। ধূপগুড়ির ভেমটিয়া এলাকার বাসিন্দা বুলবুল ধূপগুড়ি থানায় কর্মরত। এদিকে বাকি দুই সিভিক ভলেন্টিয়ার এখনো পলাতক এবং তাঁদের খোঁজে চলছে পুলিশি তল্লাশি।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত সপ্তাহে অভিযুক্ত তিন সিভিক ভলান্টিয়ার নির্যাতিতাকে মেখলিগঞ্জ থেকে ভুলিয়ে ধূপগুড়িতে নিয়ে আসেন এবং বাড়ি ভাড়া করে তাঁকে রাখে। অভিযোগ, নির্যাতিতাকে দফায় দফায় ধর্ষণ করা হয়। মেখলিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর তদন্তে নামে কোচবিহার জেলা পুলিশ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিন অভিযুক্তই ধূপগুড়ি থানায় সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি করেন। আরও জানা যায়, এই তিন অভিযুক্ত ও তাঁদের বন্ধুবান্ধব আগেও এমন অপরাধ একাধিকবার ঘটিয়েছেন। তবে তাঁরা যেই চাকরিতে নিযুক্ত, তাতে কেউ তাঁদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়েরের সাহস পাননি।
অত্যাচার সহ্য না করতে পেরে নির্যাতিতা অবশেষে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর পরিবারও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। ঘটনা প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) সৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে জলপাইগুড়ি জেলা এবং কোচবিহার জেলা পুলিশ একজন সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্ত আরও দুই সিভিক ভলান্টিয়ারের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে ঘটনাটি এখানকার নয়, সেই কারণে এখানে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত করছে। তারা সহায়তা চাওয়ায় জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে নেমেছিল।”