১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ম্যানগ্রোভ রোপণের মাধ্যম দিয়ে নদী বাঁধ ভাঙন রক্ষা করার প্রয়াস গৃহবধূদের

বাবলু হাসান লস্কর সুন্দরবন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সংরক্ষীত বনাঞ্চল কুলতলি ফরেস্ট এলাকাধীন সুন্দরবন মাতলা মোহনা সংগঠনের‌ এই মুহূর্তে ছোট্ট প্রয়াস।

বেশ কয়েক জন গৃহবধূ কে দেখা মিলল নিজেদের উদ্যোগে কয়েক হাজার ম্যানগ্রোভ রোপণ করতে। সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার এই কুলতলির কৈখালী সংলগ্ন দেউলবাড়ি এলাকা প্রতি বৎসর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নদী বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়। আগামী দিনে যাতে আর এই সমস্ত এলাকা প্লাবিত না হয় তার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এই সমস্ত গৃহবধূরা । দেউলবাড়ি দেবীপুরের জগ্যেশ্বর পাড়ায় সুন্দর বন মাতলা নদীর চরে,

“মাতলা মোহনা সংগঠনের” পক্ষ থেকে তিন হাজারের অধিক ম্যানগ্রোভ বসালো রুপা নস্কর, পূর্ণিমা মন্ডল, প্রতিমা নস্কর, স্বাবী নস্কর, কৃষ্ণা নস্কর, ঝর্না নস্কর, উত্তম নস্কর, বাসক ঢালী, দীপঙ্কর নস্কর, অনুপম নস্কর লক্ষণ মন্ডল ও সমীর বৈদ্যেরা এমন কর্মযোগ্য শুরু করে।

তাদের কথায় আমরা তিন দিনে তিন হাজারের বেশি ম্যানগ্রোভ নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থে এই সমস্ত চারা গাছ কিনে নদীর চরে বসাই। এই সমস্ত চারা গাছ আগামী দিনে নদী ভাঙন রোধ করবে এমনই তাদের প্রত্যাশা ।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ম্যানগ্রোভ রোপণের মাধ্যম দিয়ে নদী বাঁধ ভাঙন রক্ষা করার প্রয়াস গৃহবধূদের

আপডেট : ৩ মার্চ ২০২৩, শুক্রবার

বাবলু হাসান লস্কর সুন্দরবন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সংরক্ষীত বনাঞ্চল কুলতলি ফরেস্ট এলাকাধীন সুন্দরবন মাতলা মোহনা সংগঠনের‌ এই মুহূর্তে ছোট্ট প্রয়াস।

বেশ কয়েক জন গৃহবধূ কে দেখা মিলল নিজেদের উদ্যোগে কয়েক হাজার ম্যানগ্রোভ রোপণ করতে। সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার এই কুলতলির কৈখালী সংলগ্ন দেউলবাড়ি এলাকা প্রতি বৎসর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নদী বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়। আগামী দিনে যাতে আর এই সমস্ত এলাকা প্লাবিত না হয় তার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এই সমস্ত গৃহবধূরা । দেউলবাড়ি দেবীপুরের জগ্যেশ্বর পাড়ায় সুন্দর বন মাতলা নদীর চরে,

“মাতলা মোহনা সংগঠনের” পক্ষ থেকে তিন হাজারের অধিক ম্যানগ্রোভ বসালো রুপা নস্কর, পূর্ণিমা মন্ডল, প্রতিমা নস্কর, স্বাবী নস্কর, কৃষ্ণা নস্কর, ঝর্না নস্কর, উত্তম নস্কর, বাসক ঢালী, দীপঙ্কর নস্কর, অনুপম নস্কর লক্ষণ মন্ডল ও সমীর বৈদ্যেরা এমন কর্মযোগ্য শুরু করে।

তাদের কথায় আমরা তিন দিনে তিন হাজারের বেশি ম্যানগ্রোভ নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থে এই সমস্ত চারা গাছ কিনে নদীর চরে বসাই। এই সমস্ত চারা গাছ আগামী দিনে নদী ভাঙন রোধ করবে এমনই তাদের প্রত্যাশা ।