১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

বাংলা পক্ষ মুর্শিদাবাদ জেলা শাখা উদ্যোগে বহরমপুর থানায় FIR করেন

সামিমা খাতুন,নতুন গতি,মুর্শিদাবাদ: সুধী বঙ্গবাসী, ১৯০৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ অন্যান্য বাঙালি জাতীয়তাবাদী নেতাদের প্রতিবাদে লর্ড কার্জন বাধ্য হয়েছিল পিছু হটতে। কিন্তু সাতচল্লিশে বাংলার ভাঙ্গন রোধ করা যায়নি। এই ভাঙ্গনের ফলে বাঙালির সর্বাত্মক দুর্দশা অপমান অর্থনৈতিক অবনমন এখনো দৃশ্যমান। কিন্তু বাংলার আকাশে আবার বঙ্গভঙ্গের দাবি অহরহ শোনা যাচ্ছে। দুঃখের বিষয় জনগণের দ্বারা নির্বাচিত দুই সাংসদ বাংলাকে তিন ভাগ করে ফেলার হুমকি এবং উস্কানি দিয়ে চলেছেন প্রতিনিয়ত। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লা আলাদা ‘উত্তরবঙ্গ রাজ্য’ বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাস্যকর দাবি তুলছেন, মানুষকে উস্কানিমূলক ষড়যন্ত্রে শামিল করছেন, যা যে কোন মুহূর্তে আইনশৃংখলার চরম অবনতি ঘটাতে পারে। অপরদিকে বিষ্ণুপুরের নির্বাচিত সাংসদ সৌমিত্র খাঁ পৃথক ‘রাঢ়বঙ্গ রাজ্য’ দাবি করছেন, বিভিন্নভাবে মানুষকে উস্কানিমূলক মন্তব্যে প্রভাবিত করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছেন। আমরা এই বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ) ভাগ কোনভাবেই মেনে নেব না। এই বাংলা ভাগের দাবির বিরুদ্ধে আমরা সর্বাত্মক প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই প্রতিবাদের অঙ্গ হিসেবে আজ বাংলা পক্ষ মুর্শিদাবাদ জেলা শাখার বহরমপুর শহর কমিটি বহরমপুর থানায় এই দুই সাংসদের বিরুদ্ধে বাংলা ভাগের উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলে আইনশৃঙ্খলা ও রাজ্যের স্থিতিকে বিপদজনক জায়গায় ঠেলে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এফআইআর (FIR) দায়ের করল। আইন আইনের কাজ করুক। কিন্তু আমরা সকল বাঙ্গালির পক্ষে, বাংলা পক্ষ জাত দল ধর্ম নির্বিশেষে পশ্চিমবঙ্গ তথা বাংলা ও সকল বাঙ্গালির অখণ্ডতা রক্ষায় সকলকে সোচ্চার হয়ে ওঠার আবেদন জানাচ্ছি।

ভাঙড় রত্ন সম্মাননা পেলেন শিক্ষক-সাহিত্যিক মহম্মদ মফিজুল ইসলাম

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাংলা পক্ষ মুর্শিদাবাদ জেলা শাখা উদ্যোগে বহরমপুর থানায় FIR করেন

আপডেট : ২৭ জুন ২০২১, রবিবার

সামিমা খাতুন,নতুন গতি,মুর্শিদাবাদ: সুধী বঙ্গবাসী, ১৯০৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ অন্যান্য বাঙালি জাতীয়তাবাদী নেতাদের প্রতিবাদে লর্ড কার্জন বাধ্য হয়েছিল পিছু হটতে। কিন্তু সাতচল্লিশে বাংলার ভাঙ্গন রোধ করা যায়নি। এই ভাঙ্গনের ফলে বাঙালির সর্বাত্মক দুর্দশা অপমান অর্থনৈতিক অবনমন এখনো দৃশ্যমান। কিন্তু বাংলার আকাশে আবার বঙ্গভঙ্গের দাবি অহরহ শোনা যাচ্ছে। দুঃখের বিষয় জনগণের দ্বারা নির্বাচিত দুই সাংসদ বাংলাকে তিন ভাগ করে ফেলার হুমকি এবং উস্কানি দিয়ে চলেছেন প্রতিনিয়ত। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লা আলাদা ‘উত্তরবঙ্গ রাজ্য’ বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হাস্যকর দাবি তুলছেন, মানুষকে উস্কানিমূলক ষড়যন্ত্রে শামিল করছেন, যা যে কোন মুহূর্তে আইনশৃংখলার চরম অবনতি ঘটাতে পারে। অপরদিকে বিষ্ণুপুরের নির্বাচিত সাংসদ সৌমিত্র খাঁ পৃথক ‘রাঢ়বঙ্গ রাজ্য’ দাবি করছেন, বিভিন্নভাবে মানুষকে উস্কানিমূলক মন্তব্যে প্রভাবিত করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছেন। আমরা এই বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ) ভাগ কোনভাবেই মেনে নেব না। এই বাংলা ভাগের দাবির বিরুদ্ধে আমরা সর্বাত্মক প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই প্রতিবাদের অঙ্গ হিসেবে আজ বাংলা পক্ষ মুর্শিদাবাদ জেলা শাখার বহরমপুর শহর কমিটি বহরমপুর থানায় এই দুই সাংসদের বিরুদ্ধে বাংলা ভাগের উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলে আইনশৃঙ্খলা ও রাজ্যের স্থিতিকে বিপদজনক জায়গায় ঠেলে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এফআইআর (FIR) দায়ের করল। আইন আইনের কাজ করুক। কিন্তু আমরা সকল বাঙ্গালির পক্ষে, বাংলা পক্ষ জাত দল ধর্ম নির্বিশেষে পশ্চিমবঙ্গ তথা বাংলা ও সকল বাঙ্গালির অখণ্ডতা রক্ষায় সকলকে সোচ্চার হয়ে ওঠার আবেদন জানাচ্ছি।