০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

বাঘে মানুষে সংঘাত এড়াতে বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি প্রশিক্ষণ শিবির ও কর্মশালা

বাবলু হাসান লস্কর সুন্দরবন দক্ষিণ ২৪ পরগনা

বাঘ ও মানুষের মধ্যে সংঘাত বন্ধ করে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষদের জন্য বিকল্প কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করতে জয়দীপদের সংস্থা দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে চলেছে। জঙ্গল কেন্দ্রিক মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে এখনও একইভাবে কাজ করছেন তাঁরা। কিন্তু বাঘ সংরক্ষণ শুধু নয়, এবার তাঁরা বাঘরোল বা মেছো বিড়াল সংরক্ষণের বিষয়েও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই গ্রামে গ্রামে এ বিষয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। শুধু গ্রাম নয়, শহর বা আধা শহর এলাকার মানুষ, স্কুল সহ বিভিন্ন জায়গায়ও এ বিষয়ে সচেতন বার্তা দেওয়া হচ্ছে। যে এলাকায় এই ধরনের প্রানিদের অবস্থান রয়েছে বা যেখানে এদের সাথে মানুষের সংঘাত ঘটছে সেখানেও বন দফতরের পাশাপাশি এই সংগঠনের কর্মীরাও মানুষকে সচেতন করার কাজ করছেন। জয়দীপ বলেন, “ বাঘ, হাতি, গন্ডারের সংরক্ষণ সর্বত্রই হচ্ছে। কিন্তু বাঘরোল বা মেছো বিড়াল কিম্বা খটাশ যাই বলি না কেন এদের সংরক্ষণ সেভাবে হচ্ছে না। মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি না হওয়ায় অনেকেই এদেরকে হত্যা করছে। আর বাস্তুতন্ত্রে তার মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। সেই কারণে এই বন্য জন্তুদেরও সংরক্ষণ করতে হবে। সংবাদ মাধ্যমকেও এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে মানুষকে সচেতন করার কাজে।” শের নামক সংস্থাটি সুন্দরবনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে। বাঘ মানুষ সংঘাত র এড়াতে এবং মানুষের জঙ্গল লাগোয়া মানুষদের উন্নতি সাধনে তারাই এগিয়ে আসছে।

সর্বাধিক পাঠিত

“প্রে ফর নেপাল” চুঁচুড়ায় মানবতার বার্তা নারী শক্তি’র

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাঘে মানুষে সংঘাত এড়াতে বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি প্রশিক্ষণ শিবির ও কর্মশালা

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, সোমবার

বাবলু হাসান লস্কর সুন্দরবন দক্ষিণ ২৪ পরগনা

বাঘ ও মানুষের মধ্যে সংঘাত বন্ধ করে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষদের জন্য বিকল্প কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করতে জয়দীপদের সংস্থা দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে চলেছে। জঙ্গল কেন্দ্রিক মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে এখনও একইভাবে কাজ করছেন তাঁরা। কিন্তু বাঘ সংরক্ষণ শুধু নয়, এবার তাঁরা বাঘরোল বা মেছো বিড়াল সংরক্ষণের বিষয়েও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই গ্রামে গ্রামে এ বিষয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। শুধু গ্রাম নয়, শহর বা আধা শহর এলাকার মানুষ, স্কুল সহ বিভিন্ন জায়গায়ও এ বিষয়ে সচেতন বার্তা দেওয়া হচ্ছে। যে এলাকায় এই ধরনের প্রানিদের অবস্থান রয়েছে বা যেখানে এদের সাথে মানুষের সংঘাত ঘটছে সেখানেও বন দফতরের পাশাপাশি এই সংগঠনের কর্মীরাও মানুষকে সচেতন করার কাজ করছেন। জয়দীপ বলেন, “ বাঘ, হাতি, গন্ডারের সংরক্ষণ সর্বত্রই হচ্ছে। কিন্তু বাঘরোল বা মেছো বিড়াল কিম্বা খটাশ যাই বলি না কেন এদের সংরক্ষণ সেভাবে হচ্ছে না। মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি না হওয়ায় অনেকেই এদেরকে হত্যা করছে। আর বাস্তুতন্ত্রে তার মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। সেই কারণে এই বন্য জন্তুদেরও সংরক্ষণ করতে হবে। সংবাদ মাধ্যমকেও এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে মানুষকে সচেতন করার কাজে।” শের নামক সংস্থাটি সুন্দরবনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে। বাঘ মানুষ সংঘাত র এড়াতে এবং মানুষের জঙ্গল লাগোয়া মানুষদের উন্নতি সাধনে তারাই এগিয়ে আসছে।