০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

নদী তীরবর্তী মৈপিঠ কোস্টাল এলাকায় অনুষ্ঠিত হলো লক্ষ্মী সম্মেলন

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: সুন্দরবনের নদী বেষ্টিত এলাকা মৈপিঠ কোস্টাল থানার অধীনস্থ মেপীঠ নগেনাবাদ,,দেশপ্রীতি সংঘের পরিচালনায়,,লক্ষী সম্মেলনের উদ্বোধন হল। চিরাচরিত রীতিনীতি মেনে এলাকার কয়েকশত লক্ষী প্রতিমা কে বিশেষ ভাবে সুসজ্জিত করে গাড়িতে সাজিয়ে শব্দ যন্ত্রের মাধ্যম দিয়ে বিসর্জনের কার্নিভাল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত করল। আর এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুলতলী ব্লক তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি পিন্টু প্রধান, মৈপিঠ কোস্টাল থানার ওসি স্বপন বিশ্বাস, রেজাউল গাজী সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও জনপ্রতিনিধি।

প্রতি বছরের ন্যায় এখানে কয়েক হাজার মানুষজন উপস্থিত হয় লক্ষ্মী প্রতিমা নিয়ে। চিরাচরিত রীতিনীতি মেনে পিছিয়ে পড়া সমাজের মানুষজনের সাথে এলাকাবাসীরা যুক্ত থাকেন।যেখানে জেলা পুলিশের একাধিক আধিকারিককে ও দেখতে পাওয়া গেল বারুইপুর পুলিশ জেলার কয়েক শত পুলিশ কর্মীকে । বিশেষ করে তারা এই সময় একটু আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন এবং এ নিয়ে চলে মেলা পার্বণ রাত যত বাড়ে ভিড় বাড়তে থাকে। এলাকার মানুষজন উৎসবের মেজাজে বেরিয়ে পড়ে বাড়ি থেকে। আর এই বিসর্জন কে কেন্দ্র করে কোন রকমের অপীতিকার ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য পুলিশের দৃষ্টি ছিল সজাগ।।

সর্বাধিক পাঠিত

“প্রে ফর নেপাল” চুঁচুড়ায় মানবতার বার্তা নারী শক্তি’র

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নদী তীরবর্তী মৈপিঠ কোস্টাল এলাকায় অনুষ্ঠিত হলো লক্ষ্মী সম্মেলন

আপডেট : ২ নভেম্বর ২০২৩, বৃহস্পতিবার

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: সুন্দরবনের নদী বেষ্টিত এলাকা মৈপিঠ কোস্টাল থানার অধীনস্থ মেপীঠ নগেনাবাদ,,দেশপ্রীতি সংঘের পরিচালনায়,,লক্ষী সম্মেলনের উদ্বোধন হল। চিরাচরিত রীতিনীতি মেনে এলাকার কয়েকশত লক্ষী প্রতিমা কে বিশেষ ভাবে সুসজ্জিত করে গাড়িতে সাজিয়ে শব্দ যন্ত্রের মাধ্যম দিয়ে বিসর্জনের কার্নিভাল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত করল। আর এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুলতলী ব্লক তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি পিন্টু প্রধান, মৈপিঠ কোস্টাল থানার ওসি স্বপন বিশ্বাস, রেজাউল গাজী সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও জনপ্রতিনিধি।

প্রতি বছরের ন্যায় এখানে কয়েক হাজার মানুষজন উপস্থিত হয় লক্ষ্মী প্রতিমা নিয়ে। চিরাচরিত রীতিনীতি মেনে পিছিয়ে পড়া সমাজের মানুষজনের সাথে এলাকাবাসীরা যুক্ত থাকেন।যেখানে জেলা পুলিশের একাধিক আধিকারিককে ও দেখতে পাওয়া গেল বারুইপুর পুলিশ জেলার কয়েক শত পুলিশ কর্মীকে । বিশেষ করে তারা এই সময় একটু আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন এবং এ নিয়ে চলে মেলা পার্বণ রাত যত বাড়ে ভিড় বাড়তে থাকে। এলাকার মানুষজন উৎসবের মেজাজে বেরিয়ে পড়ে বাড়ি থেকে। আর এই বিসর্জন কে কেন্দ্র করে কোন রকমের অপীতিকার ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য পুলিশের দৃষ্টি ছিল সজাগ।।