১৩ জুন ২০২৬, শনিবার, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৩ জুন ২০২৬, শনিবার, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ত্রিপুরা থেকে সমন-নোটিশ পৌঁছালো অভিষেকের কালীঘাটে

আনজুম মুনির, কলকাতা: আরো জড়িয়ে যাচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এতদিন তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ ছিল বাংলাতেই। এবার যুক্ত হলো ত্রিপুরা। এবার ত্রিপুরার খোয়াই আদালত থেকে অভিষেককে সশরীরে হাজিরার সমন। এই সমন আলিপুর আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের তরফে জানানো হয়, ওই নোটিসটি অভিষেকের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। নইলে তাঁর বাড়ির দরজা নোটিস লাগিয়ে দিয়ে আসতে হবে। আদালতের নির্দেশমতো এদিন পুলিশ পৌঁছয় হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটের বাড়িতে। অভিষেক বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। তাঁর পরিবর্তে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ নোটিসটি গ্রহণ করেন। গত ২০২১ সালে আগস্টের গোড়ার দিকে দলীয় এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ত্রিপুরায় তৃণমূলের যুবনেতৃত্বকে রাস্তায় আটকানো হয়। সেখানে দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা ও জয়া দত্তদের উপর হামলা চলে বলে অভিযোগ। মাথা ফেটে যায় সুদীপ রাহার, কানে আঘাত পান জয়া দত্ত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত গোটা ত্রিপুরা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।

এরপরই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হলে খোয়াই থানায় অবস্থানে বসেন অভিষেক, কুণাল ঘোষরা। ধৃতদের মুক্তির দাবি তোলেন। কিন্তু জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় ধৃত নেতাদের তোলা হয় আদালতে। সেই সময়ও থানাতেই বসেছিলেন অভিষেক। সেখান থেকেই নজর রাখছিলেন পরিস্থিতির উপর। দলের নেতারা জামিন পাওয়ার পর ক্ষোভ উগড়ে দেন ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। একইভাবে জয়া দত্ত, দেবাংশু ভট্টাচার্যও ত্রিপুরা সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এভাবে তাঁদের রোখা যাবে না। সেদিন থানায় তৃণমূলের অবস্থানের জেরেই মামলা রুজু করে ত্রিপুরা পুলিশ। ওই মামলাতেই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠাল খোয়াই আদালত।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন: সেমিফাইনালে উঠলেন সিন্ধু, কোয়ার্টার ফাইনালে ইয়ামাগুচির কাছে হারলেন তানভি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ত্রিপুরা থেকে সমন-নোটিশ পৌঁছালো অভিষেকের কালীঘাটে

আপডেট : ১২ জুন ২০২৬, শুক্রবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: আরো জড়িয়ে যাচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এতদিন তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ ছিল বাংলাতেই। এবার যুক্ত হলো ত্রিপুরা। এবার ত্রিপুরার খোয়াই আদালত থেকে অভিষেককে সশরীরে হাজিরার সমন। এই সমন আলিপুর আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের তরফে জানানো হয়, ওই নোটিসটি অভিষেকের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। নইলে তাঁর বাড়ির দরজা নোটিস লাগিয়ে দিয়ে আসতে হবে। আদালতের নির্দেশমতো এদিন পুলিশ পৌঁছয় হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটের বাড়িতে। অভিষেক বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। তাঁর পরিবর্তে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ নোটিসটি গ্রহণ করেন। গত ২০২১ সালে আগস্টের গোড়ার দিকে দলীয় এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ত্রিপুরায় তৃণমূলের যুবনেতৃত্বকে রাস্তায় আটকানো হয়। সেখানে দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা ও জয়া দত্তদের উপর হামলা চলে বলে অভিযোগ। মাথা ফেটে যায় সুদীপ রাহার, কানে আঘাত পান জয়া দত্ত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত গোটা ত্রিপুরা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।

এরপরই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হলে খোয়াই থানায় অবস্থানে বসেন অভিষেক, কুণাল ঘোষরা। ধৃতদের মুক্তির দাবি তোলেন। কিন্তু জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় ধৃত নেতাদের তোলা হয় আদালতে। সেই সময়ও থানাতেই বসেছিলেন অভিষেক। সেখান থেকেই নজর রাখছিলেন পরিস্থিতির উপর। দলের নেতারা জামিন পাওয়ার পর ক্ষোভ উগড়ে দেন ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। একইভাবে জয়া দত্ত, দেবাংশু ভট্টাচার্যও ত্রিপুরা সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এভাবে তাঁদের রোখা যাবে না। সেদিন থানায় তৃণমূলের অবস্থানের জেরেই মামলা রুজু করে ত্রিপুরা পুলিশ। ওই মামলাতেই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠাল খোয়াই আদালত।