২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

তমলুক এ প্রজাতন্ত্র দিবসে মহিলা ফুটবল

অরুণ কুমার সাউ : তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর-

শনিবার ৭০ তম প্র‍জাতন্ত্র দিবসে নারী জাতির সম্মান রক্ষা ,কন্যা ভ্রুণ হত্যা, বাল্যবিবাহ বন্ধ , পণপ্রথা ইত্যাদির বিরুদ্ধে সমাজ সচেতনতা মূলক বর্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চার দলীয় আমন্ত্রণমূলক মহিলা ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করে তমলুকের রত্নালী শান্তিতলা মিলন সংঘ । চার দলীয় নকআউট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় নয়াগ্রাম থানা বালিকা বিদ্যাপীঠ । রার্নাস পশ্চিম মেদিনীপুরের সালবনীর জাগরণ দল ।চুড়ান্ত পর্বে নির্ধারিত সময়ে ২-১ গোলে জয়লাভ করে নয়াগ্রাম থানা বালিকা বিদ্যাপীঠ ।এছাড়াও এই প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে হাওড়া একাদশ ও কলকাতা সেভেন স্টার । দলগুলোতে রাজ্য স্তরের বেশ কিছু খেলোওয়াড় অংশ নেয় ।এই প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ ও সর্বোচ্চ গোলদাতা নির্বাচিত হন নয়াগ্রাম থানা বালিকা বিদ্যাপীঠের মুগলী হেমব্রম । সেরা খেলোওয়াড় নির্বাচিত হন সালবনী জাগরণ দলের সঞ্চিতা মাহাতো ।সেরা গোলরক্ষক সালবনী জাগরণ দলের খেলোয়াড় ঈশানী মাহাতো । প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ভারতীয় অনুর্ধ্ব ১৭ মহিলা ভলিবল দলের অধিনায়ক দেবাংশী তেওয়ারী । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তাম্রলিপ্ত পৌরসভার পৌরপিতা রবীন্দ্রনাথ সেন , উপ-পৌরপিতা দীপেন্দ্র নারায়ন রায়, তাম্রলিপ্ত পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শক্তিপ্রসাদ ভট্টাচার্য্য , রাজ্য ব্লাইন্ড ক্রিকেট আসোসিয়েসান সদস্য চঞ্চল হাজরা , সেরুট কলেজ নৈনিতাল এর ফুটবল কোচ অজয় ভক্তা , জাতীয় NSS পুরস্কার প্রাপক শিক্ষক সাম্য চক্রবর্তী ,জয়দেব জানা সহ বিশিষ্ট মানুষ জন ।প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন তিন মহিলা রেফারি মনি খিলাড়ী, মাহি টুডু ও রাজশ্রী হাঁসদা । সংঘের পক্ষ থেকে ভারতীয় অনুর্ধ্ব ১৭ ভলিবল দলের অধিনায়ক দেবাংশী তেওয়ারী ও রাজ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তরে দীর্ঘ লম্ফন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানাধীকারি সৌমিলী মন্ডলকে ক্রীড়া ক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য ও গিনেস বুক ওয়ার্ল্ডের রেকর্ডকারী ফুটবল জাগলার ফুটবলার মনোজ মিশ্রকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় । চুড়ান্ত পর্বের খেলার শেষে কয়েকটি আদিবাসী নৃত্য পরিবেশন করে নয়াগ্রাম থানা বালিকা বিদ্যাপীঠের খেলোয়াড়া । ঐতিহাসিক তমলুক শহরে এই প্রথম কোন ফুটবল খেলোয়াড়দের দ্বারা আদিবাসী নৃত্য পরিবেশিত হয় । উন্নত মানের খেলা দেখে উচ্ছসিত এলাকার মানুষজন । খেলার মাঝে বিশেষ আকর্ষন হিসেবে দর্শকদের জন্য ছিল ফুটবল জাগলিং, দেশাত্মবোধক নৃত্য ও ফুটবল নিয়ে কুইজ। খেলা দেখতে আসা উচ্ছ্বসিত দর্শক প্রেরনা মান্না বলেন এধরনের মহিলা খেলোওয়াড়দের খেলা প্রথমবার চাক্ষুস দেখলাম যা সাধারণত টিভিতে দেখে থাকি ।আয়োজক সংস্থার সভাপতি দেবাশীষ নাগ বলেন তমলুক শহরে তথা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মহিলাদের ভালো রকম ফুটবল খেলার চর্চা নেই । তাই শহরব্যাপী মহিলাদের মধ্যে ফুটবল খেলার প্রসার ঘটানোর জন্য এধরনের উদ্দ্যোগ ।

8

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তমলুক এ প্রজাতন্ত্র দিবসে মহিলা ফুটবল

আপডেট : ২৮ জানুয়ারী ২০১৯, সোমবার

অরুণ কুমার সাউ : তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর-

শনিবার ৭০ তম প্র‍জাতন্ত্র দিবসে নারী জাতির সম্মান রক্ষা ,কন্যা ভ্রুণ হত্যা, বাল্যবিবাহ বন্ধ , পণপ্রথা ইত্যাদির বিরুদ্ধে সমাজ সচেতনতা মূলক বর্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চার দলীয় আমন্ত্রণমূলক মহিলা ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করে তমলুকের রত্নালী শান্তিতলা মিলন সংঘ । চার দলীয় নকআউট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় নয়াগ্রাম থানা বালিকা বিদ্যাপীঠ । রার্নাস পশ্চিম মেদিনীপুরের সালবনীর জাগরণ দল ।চুড়ান্ত পর্বে নির্ধারিত সময়ে ২-১ গোলে জয়লাভ করে নয়াগ্রাম থানা বালিকা বিদ্যাপীঠ ।এছাড়াও এই প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে হাওড়া একাদশ ও কলকাতা সেভেন স্টার । দলগুলোতে রাজ্য স্তরের বেশ কিছু খেলোওয়াড় অংশ নেয় ।এই প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ ও সর্বোচ্চ গোলদাতা নির্বাচিত হন নয়াগ্রাম থানা বালিকা বিদ্যাপীঠের মুগলী হেমব্রম । সেরা খেলোওয়াড় নির্বাচিত হন সালবনী জাগরণ দলের সঞ্চিতা মাহাতো ।সেরা গোলরক্ষক সালবনী জাগরণ দলের খেলোয়াড় ঈশানী মাহাতো । প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ভারতীয় অনুর্ধ্ব ১৭ মহিলা ভলিবল দলের অধিনায়ক দেবাংশী তেওয়ারী । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তাম্রলিপ্ত পৌরসভার পৌরপিতা রবীন্দ্রনাথ সেন , উপ-পৌরপিতা দীপেন্দ্র নারায়ন রায়, তাম্রলিপ্ত পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শক্তিপ্রসাদ ভট্টাচার্য্য , রাজ্য ব্লাইন্ড ক্রিকেট আসোসিয়েসান সদস্য চঞ্চল হাজরা , সেরুট কলেজ নৈনিতাল এর ফুটবল কোচ অজয় ভক্তা , জাতীয় NSS পুরস্কার প্রাপক শিক্ষক সাম্য চক্রবর্তী ,জয়দেব জানা সহ বিশিষ্ট মানুষ জন ।প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন তিন মহিলা রেফারি মনি খিলাড়ী, মাহি টুডু ও রাজশ্রী হাঁসদা । সংঘের পক্ষ থেকে ভারতীয় অনুর্ধ্ব ১৭ ভলিবল দলের অধিনায়ক দেবাংশী তেওয়ারী ও রাজ্য প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তরে দীর্ঘ লম্ফন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানাধীকারি সৌমিলী মন্ডলকে ক্রীড়া ক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য ও গিনেস বুক ওয়ার্ল্ডের রেকর্ডকারী ফুটবল জাগলার ফুটবলার মনোজ মিশ্রকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় । চুড়ান্ত পর্বের খেলার শেষে কয়েকটি আদিবাসী নৃত্য পরিবেশন করে নয়াগ্রাম থানা বালিকা বিদ্যাপীঠের খেলোয়াড়া । ঐতিহাসিক তমলুক শহরে এই প্রথম কোন ফুটবল খেলোয়াড়দের দ্বারা আদিবাসী নৃত্য পরিবেশিত হয় । উন্নত মানের খেলা দেখে উচ্ছসিত এলাকার মানুষজন । খেলার মাঝে বিশেষ আকর্ষন হিসেবে দর্শকদের জন্য ছিল ফুটবল জাগলিং, দেশাত্মবোধক নৃত্য ও ফুটবল নিয়ে কুইজ। খেলা দেখতে আসা উচ্ছ্বসিত দর্শক প্রেরনা মান্না বলেন এধরনের মহিলা খেলোওয়াড়দের খেলা প্রথমবার চাক্ষুস দেখলাম যা সাধারণত টিভিতে দেখে থাকি ।আয়োজক সংস্থার সভাপতি দেবাশীষ নাগ বলেন তমলুক শহরে তথা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মহিলাদের ভালো রকম ফুটবল খেলার চর্চা নেই । তাই শহরব্যাপী মহিলাদের মধ্যে ফুটবল খেলার প্রসার ঘটানোর জন্য এধরনের উদ্দ্যোগ ।

8