২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

জলে ডুবছে নিশ্চিন্দা, নিকাশি কোথায়? বাসিন্দাদের ক্ষোভ তুঙ্গে

হাওড়া: রাস্তা নয়, যেন নোংরা জলের নালা! দিনের পর দিন রাস্তার উপর জমে থাকা জল, বেহাল রাস্তা আর দুর্গন্ধে নাজেহাল হাওড়ার ডোমজুড় বিধানসভার নিশ্চিন্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯৫ ও ১৯২ নম্বর বুথের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার জানানো সত্ত্বেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে নোংরা জল পেরিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ থেকে স্কুলপড়ুয়া—সকলকেই।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন জল জমে থাকায় মশার উপদ্রবও বেড়েছে। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো রোগ ছড়ানোর আশঙ্কায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, পঞ্চায়েতের তরফে মাঝে মধ্যে জল সরানো বা রাস্তা পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কার্যত সাময়িক। কয়েক দিন পরেই ফের একই দুর্ভোগ শুরু হচ্ছে।
পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রকে ঘিরে। স্থানীয়দের দাবি, নোংরা জল ঢুকে পড়েছে কেন্দ্রের ভিতরেও। ছোট ছোট শিশুদের এমন পরিবেশে কীভাবে রাখা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকেরা।
পঞ্চায়েত সদস্যের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ বাড়ছে। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, এলাকার সমস্যা সরেজমিনে দেখতে নির্বাচিত সদস্যকে নিয়মিত দেখা যায় না। ফলে প্রশ্ন উঠছে—জনপ্রতিনিধি রয়েছেন, পঞ্চায়েত রয়েছে, তবু কেন বছরের পর বছর জলযন্ত্রণা?
স্থায়ী নিকাশি ব্যবস্থা ও দ্রুত রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বন্ধ পাঠশালা, মুখ শুকনো কাঞ্চনদের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জলে ডুবছে নিশ্চিন্দা, নিকাশি কোথায়? বাসিন্দাদের ক্ষোভ তুঙ্গে

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
হাওড়া: রাস্তা নয়, যেন নোংরা জলের নালা! দিনের পর দিন রাস্তার উপর জমে থাকা জল, বেহাল রাস্তা আর দুর্গন্ধে নাজেহাল হাওড়ার ডোমজুড় বিধানসভার নিশ্চিন্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯৫ ও ১৯২ নম্বর বুথের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার জানানো সত্ত্বেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে নোংরা জল পেরিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ থেকে স্কুলপড়ুয়া—সকলকেই।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন জল জমে থাকায় মশার উপদ্রবও বেড়েছে। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো রোগ ছড়ানোর আশঙ্কায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, পঞ্চায়েতের তরফে মাঝে মধ্যে জল সরানো বা রাস্তা পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কার্যত সাময়িক। কয়েক দিন পরেই ফের একই দুর্ভোগ শুরু হচ্ছে।
পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রকে ঘিরে। স্থানীয়দের দাবি, নোংরা জল ঢুকে পড়েছে কেন্দ্রের ভিতরেও। ছোট ছোট শিশুদের এমন পরিবেশে কীভাবে রাখা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকেরা।
পঞ্চায়েত সদস্যের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ বাড়ছে। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, এলাকার সমস্যা সরেজমিনে দেখতে নির্বাচিত সদস্যকে নিয়মিত দেখা যায় না। ফলে প্রশ্ন উঠছে—জনপ্রতিনিধি রয়েছেন, পঞ্চায়েত রয়েছে, তবু কেন বছরের পর বছর জলযন্ত্রণা?
স্থায়ী নিকাশি ব্যবস্থা ও দ্রুত রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।