০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

এক টাকায় চোখের আলো, মানবিক উদ্যোগ ড্রিম বিগ চ্যারিটির

পূর্ব মেদিনীপুর: এক টাকার বিনিময়ে চোখের পরীক্ষা ও চিকিৎসা পরিষেবা। অর্থাভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এমনই মানবিক উদ্যোগ নিল পূর্ব মেদিনীপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ড্রিম বিগ চ্যারিটি। সম্প্রতি কালিন্দির সুবেরিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা কেন্দ্রে সংস্থার উদ্যোগে আয়োজন করা হয় এক টাকার বিনিময়ে চক্ষু পরীক্ষা ও চিকিৎসা শিবির। এই উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় শ্রীকান্ত বধুকের সোনার তরী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট। শিবিরে দেড়শোরও বেশি মানুষকে চক্ষু পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা বহু মানুষ মাত্র এক টাকার বিনিময়ে চিকিৎসার সুযোগ পান। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্যোগটি ঘিরে ব্যাপক সাড়া পড়ে। ড্রিম বিগ চ্যারিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অন্যতম লক্ষ্য। “কারও মুখে সামান্য হাসি ফোটাতে পারাটাই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন”—এই ভাবনাকে সামনে রেখেই তাঁদের এই উদ্যোগ। স্থানীয় বাসিন্দারাও এক টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

বোলপুরে রাজধানী সার্কাসের শুভ উদ্বোধন, প্রথম দিনেই দর্শকদের ভিড়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এক টাকায় চোখের আলো, মানবিক উদ্যোগ ড্রিম বিগ চ্যারিটির

আপডেট : ৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার
পূর্ব মেদিনীপুর: এক টাকার বিনিময়ে চোখের পরীক্ষা ও চিকিৎসা পরিষেবা। অর্থাভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এমনই মানবিক উদ্যোগ নিল পূর্ব মেদিনীপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ড্রিম বিগ চ্যারিটি। সম্প্রতি কালিন্দির সুবেরিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা কেন্দ্রে সংস্থার উদ্যোগে আয়োজন করা হয় এক টাকার বিনিময়ে চক্ষু পরীক্ষা ও চিকিৎসা শিবির। এই উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় শ্রীকান্ত বধুকের সোনার তরী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট। শিবিরে দেড়শোরও বেশি মানুষকে চক্ষু পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা বহু মানুষ মাত্র এক টাকার বিনিময়ে চিকিৎসার সুযোগ পান। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্যোগটি ঘিরে ব্যাপক সাড়া পড়ে। ড্রিম বিগ চ্যারিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অন্যতম লক্ষ্য। “কারও মুখে সামান্য হাসি ফোটাতে পারাটাই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন”—এই ভাবনাকে সামনে রেখেই তাঁদের এই উদ্যোগ। স্থানীয় বাসিন্দারাও এক টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।