০৮ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
০৮ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাংলার নববর্ষের দিন হুগলির একটি সাংস্কৃতিক সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত হল বর্ষবরণ উৎসব

নিজস্ব সংবাদদাতা : শুক্রবার ছিল বাংলার নববর্ষ। ওই দিন হুগলির একটি সাংস্কৃতিক সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত হল বর্ষবরণ উৎসব। শ্রীরামপুর আই এম এ বিল্ডিং থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয় এবং শেষ হয় আরএমএস মাঠে। বেতারবাণী নামক ওই সংস্থা সর্বদা বিভিন্ন সংস্কৃতি মূলক এবং সামাজিক কাজকর্মে মানুষের পাশে থাকে। দুই বছর পর সংস্থার উদ্যোগেই পয়লা বৈশাখের দিন স্থানীয় সমস্ত গুণী ও চিন্তাশীল মানুষদের নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে। শুক্রবার সকাল ৭ টর সময় শুরু হয় শোভাযাত্রাটি। ব্যান্ড পার্টির তালে তালে নাচে গানে মানুষের মন জয় করেন শিল্পীরা। এটি দেখার জন্য শ্রীরামপুরের প্রচুর মানুষ রাস্তার ধারে ভিড় জমান। শুধু নাচ, গান নয় আবৃত্তি ও স্বাস্থ্য অর্থনীতি সম্পর্কিত আলোচনার মাধ্যমে এই শোভাযাত্রাটি শেষ হয়। সংস্থার ডিরেক্টর ডক্টর পি.কে. দাস বলেন, ‘পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রা শুধুমাত্র মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য’। শ্রীরামপুরের সব স্তরের মানুষদের নিয়ে তাঁদেরপথ চলা। শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো এবং সমস্ত শ্রীরামপুরের মানুষকে পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা বার্তা দেওয়া হয়। পদযাত্রা শেষে অন্য একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি জানান, বিগত কয়েক মাস ধরে যেভাবে সাধারণ মানুষের সুপ্ত প্রতিভা কে তুলে ধরার কাজ করে চলেছে ওই সংস্থা, তা আগামীদিনেও আরও বৃহৎ ভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। শ্রীরামপুরের মানুষজনের যে প্রতিভা রয়েছে তা বিশ্ব দরবারে পেশ করার সেতুবন্ধন-এর কাজ করছে সংস্থাটি। তিঁনি আরো বলেন, ইন্টারনেটের জমানায় এই ধরনের সংগঠনগুলি যেন প্রতিটি এলাকায় গড়ে ওঠে যাতে শিল্পের কদর মানুষের কাছে গিয়ে পৌঁছাতে পারে।

সর্বাধিক পাঠিত

পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বাড়ি থেকে উধাও শিশু, চাঞ্চল্য কোচবিহারে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাংলার নববর্ষের দিন হুগলির একটি সাংস্কৃতিক সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত হল বর্ষবরণ উৎসব

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২২, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : শুক্রবার ছিল বাংলার নববর্ষ। ওই দিন হুগলির একটি সাংস্কৃতিক সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত হল বর্ষবরণ উৎসব। শ্রীরামপুর আই এম এ বিল্ডিং থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয় এবং শেষ হয় আরএমএস মাঠে। বেতারবাণী নামক ওই সংস্থা সর্বদা বিভিন্ন সংস্কৃতি মূলক এবং সামাজিক কাজকর্মে মানুষের পাশে থাকে। দুই বছর পর সংস্থার উদ্যোগেই পয়লা বৈশাখের দিন স্থানীয় সমস্ত গুণী ও চিন্তাশীল মানুষদের নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে। শুক্রবার সকাল ৭ টর সময় শুরু হয় শোভাযাত্রাটি। ব্যান্ড পার্টির তালে তালে নাচে গানে মানুষের মন জয় করেন শিল্পীরা। এটি দেখার জন্য শ্রীরামপুরের প্রচুর মানুষ রাস্তার ধারে ভিড় জমান। শুধু নাচ, গান নয় আবৃত্তি ও স্বাস্থ্য অর্থনীতি সম্পর্কিত আলোচনার মাধ্যমে এই শোভাযাত্রাটি শেষ হয়। সংস্থার ডিরেক্টর ডক্টর পি.কে. দাস বলেন, ‘পয়লা বৈশাখের শোভাযাত্রা শুধুমাত্র মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্য’। শ্রীরামপুরের সব স্তরের মানুষদের নিয়ে তাঁদেরপথ চলা। শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো এবং সমস্ত শ্রীরামপুরের মানুষকে পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা বার্তা দেওয়া হয়। পদযাত্রা শেষে অন্য একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি জানান, বিগত কয়েক মাস ধরে যেভাবে সাধারণ মানুষের সুপ্ত প্রতিভা কে তুলে ধরার কাজ করে চলেছে ওই সংস্থা, তা আগামীদিনেও আরও বৃহৎ ভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। শ্রীরামপুরের মানুষজনের যে প্রতিভা রয়েছে তা বিশ্ব দরবারে পেশ করার সেতুবন্ধন-এর কাজ করছে সংস্থাটি। তিঁনি আরো বলেন, ইন্টারনেটের জমানায় এই ধরনের সংগঠনগুলি যেন প্রতিটি এলাকায় গড়ে ওঠে যাতে শিল্পের কদর মানুষের কাছে গিয়ে পৌঁছাতে পারে।