০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

ভাঙারি গোডাউনে সিকিমের মদের পাহাড়, উদ্ধার ১০ লক্ষের মদ

শিলিগুড়ি: ভাঙারি গোডাউনের আড়ালে মজুত ছিল বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ সিকিমের মদ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ৪৫ কার্টন অবৈধ মদ উদ্ধার করল আবগারি দপ্তর। উদ্ধার হওয়া মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ লক্ষ ১২ হাজার ৫০০ টাকা। অভিযানের পর গোডাউনটি সিল করে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার স্পেশাল এক্সাইজ কমিশনার (এনফোর্সমেন্ট), নর্থ বেঙ্গল সুজিত দাসের কাছে খবর আসে, মাটিগাড়া থানার তুম্বাজোত-শিশুডাঙ্গি এলাকায় একটি ভাঙারি গোডাউনে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিকিমের মদ মজুত রয়েছে। খবরের ভিত্তিতে সুজিত দাসের নেতৃত্বে জলপাইগুড়ি আবগারি বিভাগের একটি দল ওই গোডাউনে অভিযান চালায়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় ৪৫ কার্টন মদ।
আবগারি দপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানের আঁচ পেয়ে গোডাউনে থাকা ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে গোডাউনটি সিল করে উদ্ধার হওয়া মদ বাজেয়াপ্ত করে আবগারি দপ্তরের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রাথমিক তদন্তে আধিকারিকদের অনুমান, সিকিম থেকে মদ এনে রাতের অন্ধকারে শিলিগুড়ি কিংবা বিহারে পাচারের উদ্দেশ্যেই গোডাউনটিতে তা মজুত করা হয়েছিল। চক্রটির সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে আবগারি দপ্তর।

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভাঙারি গোডাউনে সিকিমের মদের পাহাড়, উদ্ধার ১০ লক্ষের মদ

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
শিলিগুড়ি: ভাঙারি গোডাউনের আড়ালে মজুত ছিল বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ সিকিমের মদ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ৪৫ কার্টন অবৈধ মদ উদ্ধার করল আবগারি দপ্তর। উদ্ধার হওয়া মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ লক্ষ ১২ হাজার ৫০০ টাকা। অভিযানের পর গোডাউনটি সিল করে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার স্পেশাল এক্সাইজ কমিশনার (এনফোর্সমেন্ট), নর্থ বেঙ্গল সুজিত দাসের কাছে খবর আসে, মাটিগাড়া থানার তুম্বাজোত-শিশুডাঙ্গি এলাকায় একটি ভাঙারি গোডাউনে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিকিমের মদ মজুত রয়েছে। খবরের ভিত্তিতে সুজিত দাসের নেতৃত্বে জলপাইগুড়ি আবগারি বিভাগের একটি দল ওই গোডাউনে অভিযান চালায়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় ৪৫ কার্টন মদ।
আবগারি দপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানের আঁচ পেয়ে গোডাউনে থাকা ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে গোডাউনটি সিল করে উদ্ধার হওয়া মদ বাজেয়াপ্ত করে আবগারি দপ্তরের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রাথমিক তদন্তে আধিকারিকদের অনুমান, সিকিম থেকে মদ এনে রাতের অন্ধকারে শিলিগুড়ি কিংবা বিহারে পাচারের উদ্দেশ্যেই গোডাউনটিতে তা মজুত করা হয়েছিল। চক্রটির সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে আবগারি দপ্তর।