০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

পর্যটন হাবের লক্ষ্যে আলিপুরদুয়ারে মিঠুন, ঘুরে দেখলেন সম্ভাবনাময় কেন্দ্র

আলিপুরদুয়ার: রাজ্য তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপদেষ্টা হওয়ার পর প্রথমবার আলিপুরদুয়ার জেলায় এলেন অভিনেতা তথা সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। বুধবার রাতে হাসিমারার কাছে মালঙ্গি লজে রাত্রিবাস করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন পর্যটনস্থল পরিদর্শন করে পর্যটন পরিকাঠামো ও উন্নয়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেন মিঠুন। মিঠুন চক্রবর্তী জানান, আলিপুরদুয়ারকে পর্যটনের ক্ষেত্রে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই তাঁর এই সফর। আগামী দিনে আলিপুরদুয়ারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে কোথায় কী ধরনের উন্নয়ন প্রয়োজন এবং পর্যটকদের জন্য কীভাবে আরও সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা যায়, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন তিনি। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, “১৫ বছর ধরে বিগত সরকারের আমলে যা যা নোংরামো হয়েছে, তা পরিষ্কার করাই প্রথম লক্ষ্য।” এদিকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু তথা অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুসংবাদেও মর্মাহত মিঠুন। ‘সাগর সঙ্গম’ ছবিতে একসঙ্গে অভিনয়ের স্মৃতি স্মরণ করে তিনি জানান, নানা পাটেকর তাঁর অত্যন্ত ভালো বন্ধু ছিলেন। বন্ধুর প্রয়াণে পুরনো দিনের নানা স্মৃতিও এদিন রোমন্থন করেন অভিনেতা।

সংবিধান হাতে, জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে দুর্গাপুরে কংগ্রেসের মিছিল

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পর্যটন হাবের লক্ষ্যে আলিপুরদুয়ারে মিঠুন, ঘুরে দেখলেন সম্ভাবনাময় কেন্দ্র

আপডেট : ৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার
আলিপুরদুয়ার: রাজ্য তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপদেষ্টা হওয়ার পর প্রথমবার আলিপুরদুয়ার জেলায় এলেন অভিনেতা তথা সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। বুধবার রাতে হাসিমারার কাছে মালঙ্গি লজে রাত্রিবাস করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন পর্যটনস্থল পরিদর্শন করে পর্যটন পরিকাঠামো ও উন্নয়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেন মিঠুন। মিঠুন চক্রবর্তী জানান, আলিপুরদুয়ারকে পর্যটনের ক্ষেত্রে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই তাঁর এই সফর। আগামী দিনে আলিপুরদুয়ারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে কোথায় কী ধরনের উন্নয়ন প্রয়োজন এবং পর্যটকদের জন্য কীভাবে আরও সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা যায়, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন তিনি। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, “১৫ বছর ধরে বিগত সরকারের আমলে যা যা নোংরামো হয়েছে, তা পরিষ্কার করাই প্রথম লক্ষ্য।” এদিকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু তথা অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুসংবাদেও মর্মাহত মিঠুন। ‘সাগর সঙ্গম’ ছবিতে একসঙ্গে অভিনয়ের স্মৃতি স্মরণ করে তিনি জানান, নানা পাটেকর তাঁর অত্যন্ত ভালো বন্ধু ছিলেন। বন্ধুর প্রয়াণে পুরনো দিনের নানা স্মৃতিও এদিন রোমন্থন করেন অভিনেতা।