০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই ৩২০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের পাশে লায়ন্স ক্লাব

পার্থ ঝা, মানিকচক: মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফর ও দুর্গাপুজোর আগে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াল লায়ন্স ক্লাব। জেলা লায়ন্স ক্লাব ও চাঁচল লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে মানিকচকের মথুরাপুর এবং রতুয়ার মহানন্দাটোলা এলাকায় আয়োজন করা হয় বৃহৎ ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির। দুই এলাকায় প্রায় ১৬০০টি করে মোট ৩২০০টি বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী, ত্রাণের কিট-সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পুজোর আগে শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে তাদের হাতেও তুলে দেওয়া হয় নতুন জামাকাপড়। উদ্যোক্তাদের দাবি, ২০২৪ সালের বন্যার পর ২০২৬ সালেও ফের বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াল লায়ন্স ক্লাব। পুজোর আগে এই উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সাড়া পড়ে। জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষও কর্মসূচিটির প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল, লায়ন্স ক্লাবের ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর জ্যোতি গুপ্তা, প্রজেক্ট চেয়ারম্যান সুদীপ্ত ঘোষ, সম্পাদক নিতাই সাহা, কোষাধ্যক্ষ সৌমিত্র গুহু, সদস্য প্রসেনজিৎ শর্মা-সহ অন্যান্যরা। সুদীপ্ত ঘোষ বলেন, “বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। পুজোর আগে ৩২০০ পরিবারের হাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং শিশুদের নতুন পোশাক তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।” বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল বলেন, “বিপদের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় মানবিকতা।” ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর জ্যোতি গুপ্তার কথায়, “মানুষের প্রয়োজনে পাশে থাকাই লায়ন্স ক্লাবের মূল লক্ষ্য।” রতুয়ার বাসিন্দা সঞ্জীব কুমার দাস ওরফে বাপ্পা জানান, বন্যার পর সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। পুজোর আগে সাহায্য পেয়ে বিশেষ করে শিশুদের নতুন পোশাক পাওয়ায় তাঁরা খুশি।

জগৎবল্লভপুরে কংগ্রেসের বিডিও অভিযান, জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুতুল দাহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই ৩২০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের পাশে লায়ন্স ক্লাব

আপডেট : ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার
পার্থ ঝা, মানিকচক: মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফর ও দুর্গাপুজোর আগে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াল লায়ন্স ক্লাব। জেলা লায়ন্স ক্লাব ও চাঁচল লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে মানিকচকের মথুরাপুর এবং রতুয়ার মহানন্দাটোলা এলাকায় আয়োজন করা হয় বৃহৎ ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির। দুই এলাকায় প্রায় ১৬০০টি করে মোট ৩২০০টি বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী, ত্রাণের কিট-সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পুজোর আগে শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে তাদের হাতেও তুলে দেওয়া হয় নতুন জামাকাপড়। উদ্যোক্তাদের দাবি, ২০২৪ সালের বন্যার পর ২০২৬ সালেও ফের বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াল লায়ন্স ক্লাব। পুজোর আগে এই উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সাড়া পড়ে। জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষও কর্মসূচিটির প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল, লায়ন্স ক্লাবের ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর জ্যোতি গুপ্তা, প্রজেক্ট চেয়ারম্যান সুদীপ্ত ঘোষ, সম্পাদক নিতাই সাহা, কোষাধ্যক্ষ সৌমিত্র গুহু, সদস্য প্রসেনজিৎ শর্মা-সহ অন্যান্যরা। সুদীপ্ত ঘোষ বলেন, “বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। পুজোর আগে ৩২০০ পরিবারের হাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং শিশুদের নতুন পোশাক তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।” বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল বলেন, “বিপদের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় মানবিকতা।” ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর জ্যোতি গুপ্তার কথায়, “মানুষের প্রয়োজনে পাশে থাকাই লায়ন্স ক্লাবের মূল লক্ষ্য।” রতুয়ার বাসিন্দা সঞ্জীব কুমার দাস ওরফে বাপ্পা জানান, বন্যার পর সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। পুজোর আগে সাহায্য পেয়ে বিশেষ করে শিশুদের নতুন পোশাক পাওয়ায় তাঁরা খুশি।