২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

দফায় দফায় বৃষ্টি ! আর সেই বৃষ্টির জেরে গতকাল রাতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কাঁচা বাড়ি

নিজস্ব সংবাদদাতা : দফায় দফায় বৃষ্টি। আর সেই বৃষ্টির জেরে গতকাল রাতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কাঁচা বাড়ি। অল্পের জন্য দুই ছেলে মেয়েকে নিয়ে প্রাণে বাঁচলেন গৃহস্থ। একমাত্র ঘর হারিয়ে গাছের তলায় আশ্রয় নিয়েছে গোটা পরিবার।বাঁকুড়া শহর লাগোয়া জুনবেদিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নবজীবনপুর গ্রামের একপ্রান্তে বসবাস পেশায় দিনমজুর শ্যামলাল কুম্ভকারের। নিজের এক কক্ষের কাঁচা মাটির দেওয়ালের উপর টালির চালার ঘরেই দুই ছেলে মেয়ে নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। বর্ষার শুরুতেই দেওয়ালে ফাটল ধরে। মাঝেমধ্যেই বাড়ির দেওয়াল থেকে ঝুরঝুর করে ঝরে পড়ছিল মাটি। গতকাল রাত এগারোটা নাগাদ যখন পরিবারের সকলেই ঘুমে অচেতন সেই সময় আচমকাই দেওয়াল থেকে ঝুরঝুর করে মাটি পড়তে দেখে শ্যামলালের মেয়ে বুঝতে পারেন দেওয়াল ধসে পড়তে পারে। পরিবারের অন্যান্যদের বাড়ির বাইরে ডেকে আনেন তিনি। প্রতিবেশীদের ডেকে বাড়ির মধ্যে কিছু জিনিস বের করার চেষ্টাও শুরু হয়। এরই মাঝে বাড়ির দুটি দেওয়াল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়ে বাড়ির টালির চালাও। একমাত্র ঘর হারিয়ে গাছের তলায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় পরিবার। আজ সকালে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এলেও এখনো ত্রাণ পৌঁছায়নি। স্বাভাবিক ভাবে আরো বৃষ্টি হলে কোথায় মাথা গুঁজবেন শ্যামলালের পরিবার তা নিয়ে চিন্তায় পরিবারের সদস্যরা।

সাঁইথিয়ার রোঙ্গাইপুরে মাত্র ৩ দিনে জনগণনার কাজ শেষ, নজির মেহবুব আলমের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দফায় দফায় বৃষ্টি ! আর সেই বৃষ্টির জেরে গতকাল রাতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কাঁচা বাড়ি

আপডেট : ১৭ অগাস্ট ২০২৩, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : দফায় দফায় বৃষ্টি। আর সেই বৃষ্টির জেরে গতকাল রাতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কাঁচা বাড়ি। অল্পের জন্য দুই ছেলে মেয়েকে নিয়ে প্রাণে বাঁচলেন গৃহস্থ। একমাত্র ঘর হারিয়ে গাছের তলায় আশ্রয় নিয়েছে গোটা পরিবার।বাঁকুড়া শহর লাগোয়া জুনবেদিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নবজীবনপুর গ্রামের একপ্রান্তে বসবাস পেশায় দিনমজুর শ্যামলাল কুম্ভকারের। নিজের এক কক্ষের কাঁচা মাটির দেওয়ালের উপর টালির চালার ঘরেই দুই ছেলে মেয়ে নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। বর্ষার শুরুতেই দেওয়ালে ফাটল ধরে। মাঝেমধ্যেই বাড়ির দেওয়াল থেকে ঝুরঝুর করে ঝরে পড়ছিল মাটি। গতকাল রাত এগারোটা নাগাদ যখন পরিবারের সকলেই ঘুমে অচেতন সেই সময় আচমকাই দেওয়াল থেকে ঝুরঝুর করে মাটি পড়তে দেখে শ্যামলালের মেয়ে বুঝতে পারেন দেওয়াল ধসে পড়তে পারে। পরিবারের অন্যান্যদের বাড়ির বাইরে ডেকে আনেন তিনি। প্রতিবেশীদের ডেকে বাড়ির মধ্যে কিছু জিনিস বের করার চেষ্টাও শুরু হয়। এরই মাঝে বাড়ির দুটি দেওয়াল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়ে বাড়ির টালির চালাও। একমাত্র ঘর হারিয়ে গাছের তলায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় পরিবার। আজ সকালে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এলেও এখনো ত্রাণ পৌঁছায়নি। স্বাভাবিক ভাবে আরো বৃষ্টি হলে কোথায় মাথা গুঁজবেন শ্যামলালের পরিবার তা নিয়ে চিন্তায় পরিবারের সদস্যরা।