২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

হরিশ্চন্দ্রপুরে একাধিক দাবি তুলে প্রধানকে স্বারক লিপি বাম সংগঠনের

 

মহম্মদ নাজিম আক্তার,হরিশ্চন্দ্রপুর, ২৯ মে: ভিনরাজ্য থেকে শ্রমিকদের ফিরিয়ে এনে তাদের প্রত্যেকের লালারস পরীক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি ১৪ দিন কোয়রান্টিনে রেখে তাদের পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।

এছাড়া লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্থ দুঃস্থ মানুষদের প্রত্যেককে সাড়ে সাত হাজার টাকা দিতে হবে। এমনই একাধিক দাবি তুলে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে বিক্ষোভ দেখাল বামেদের কৃষক, খেতমজুর ও শ্রমিকদের সংগঠন। মঙ্গলবার দুপুরে প্রথমে বামেদের মিছিল গোটা এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

তারপরে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে শুরু হয় জমায়েত করে বিক্ষোভ। পরে গ্রাম পঞ্চায়েত কতৃপক্ষের হাতে স্মারকলিপিও তুলে দেন সংগঠনের নেতৃত্ব।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিপূরণ ছাড়াও একাধিক দাবিদাওয়া রয়েছে তাদের। চাষিদের ভর্তুকি দিয়ে সার, বীজ, ডিজেল সরবরাহ করা, গ্রামে গ্রামে ক্যাম্প করে চাষিদের কাছে থেকে সরকারি দামে ফসল কিনতে হবে। এছাড়া অবিলম্বে ১০০ দিনের কাজ চালু করা ও রেশনে গরিব মানুষদের মাথাপিছু ১৫ কিলোগ্রাম করে চাল, ডাল, তেল, আলু দেওয়ারও দাবি রয়েছে তাদের। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বিক্ষোভের পর ওই দাবি পাঠানো হবে মুখ্যমন্ত্রীকেও বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে।
সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য গৌতম আচার্য় বলেন, দাবি না মানা হলে আগামীতে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে।

সর্বাধিক পাঠিত

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হরিশ্চন্দ্রপুরে একাধিক দাবি তুলে প্রধানকে স্বারক লিপি বাম সংগঠনের

আপডেট : ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার

 

মহম্মদ নাজিম আক্তার,হরিশ্চন্দ্রপুর, ২৯ মে: ভিনরাজ্য থেকে শ্রমিকদের ফিরিয়ে এনে তাদের প্রত্যেকের লালারস পরীক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি ১৪ দিন কোয়রান্টিনে রেখে তাদের পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।

এছাড়া লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্থ দুঃস্থ মানুষদের প্রত্যেককে সাড়ে সাত হাজার টাকা দিতে হবে। এমনই একাধিক দাবি তুলে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে বিক্ষোভ দেখাল বামেদের কৃষক, খেতমজুর ও শ্রমিকদের সংগঠন। মঙ্গলবার দুপুরে প্রথমে বামেদের মিছিল গোটা এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

তারপরে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে শুরু হয় জমায়েত করে বিক্ষোভ। পরে গ্রাম পঞ্চায়েত কতৃপক্ষের হাতে স্মারকলিপিও তুলে দেন সংগঠনের নেতৃত্ব।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিপূরণ ছাড়াও একাধিক দাবিদাওয়া রয়েছে তাদের। চাষিদের ভর্তুকি দিয়ে সার, বীজ, ডিজেল সরবরাহ করা, গ্রামে গ্রামে ক্যাম্প করে চাষিদের কাছে থেকে সরকারি দামে ফসল কিনতে হবে। এছাড়া অবিলম্বে ১০০ দিনের কাজ চালু করা ও রেশনে গরিব মানুষদের মাথাপিছু ১৫ কিলোগ্রাম করে চাল, ডাল, তেল, আলু দেওয়ারও দাবি রয়েছে তাদের। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বিক্ষোভের পর ওই দাবি পাঠানো হবে মুখ্যমন্ত্রীকেও বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে।
সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য গৌতম আচার্য় বলেন, দাবি না মানা হলে আগামীতে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে।