৩০ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
৩০ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

গলসিতে কালী পুজোর উদ্বোধনে এলেন অভিনেত্রী সর্বরী মুখার্জ্জী

নতুনগতি, আজিজুর রহমান, গলসি : গলসিতে কালী পুজোর উদ্বোধনে এলেন অভিনেত্রী তথা বিজেপির রাজ্য সম্পাদিকা সর্বরী মুখার্জ্জী। এদিন গলসি উত্তরন সংঘের কালী পুজোর উদ্বোধন করেন তিনি। সাথে ছিলেন, পূর্ব বর্ধমানে জেলা বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি  সন্দীপ নন্দী, বিশিষ্ট সমাজ সেবী জয়ীতা মুজুমদার। পুজোর উদ্বোধন এর সাথে সাথে এদিন ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি বস্ত্র দান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেখানে এলাকার ১৩০ জন মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। তাছাড়াও ২০ জন দুস্থ মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন অতিথিরা। ক্লাবের সম্পাদক জয়দীপ চ্যাটার্জ্জী জানান, এবছরের তাদের কালীপুজো ৪৯ বছরে পদার্পণ করেছে। মানু‌ষের পাশে দাঁড়াতেই তারা ক্লাব ওই কালীপুজোটি ধুমধাম ভাবে পালন করেন। তিনি জানিয়েছেন, এদিন তারা এলাকার ১৫০ জন দুস্থ মানু‌ষের হাতে বস্ত্র তুলে দেবার ব্যবস্থা করেছেন। প্রথমে ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের সুচনা করা হয়। এরপরই  মন্দিরে ফিতে কেটে সেখানে প্রদীপ পোজ্জলন করে কালী পুজোর আনুষ্ঠানিক সুচনা করা হয়।

জাঙ্গিপাড়া থানার ‘ফিরে পাওয়া’ অনুষ্ঠানে ৫০টি মোবাইল ও ১ লক্ষ ৪ হাজার টাকা ফেরত*

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গলসিতে কালী পুজোর উদ্বোধনে এলেন অভিনেত্রী সর্বরী মুখার্জ্জী

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২২, সোমবার

নতুনগতি, আজিজুর রহমান, গলসি : গলসিতে কালী পুজোর উদ্বোধনে এলেন অভিনেত্রী তথা বিজেপির রাজ্য সম্পাদিকা সর্বরী মুখার্জ্জী। এদিন গলসি উত্তরন সংঘের কালী পুজোর উদ্বোধন করেন তিনি। সাথে ছিলেন, পূর্ব বর্ধমানে জেলা বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি  সন্দীপ নন্দী, বিশিষ্ট সমাজ সেবী জয়ীতা মুজুমদার। পুজোর উদ্বোধন এর সাথে সাথে এদিন ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি বস্ত্র দান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেখানে এলাকার ১৩০ জন মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। তাছাড়াও ২০ জন দুস্থ মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন অতিথিরা। ক্লাবের সম্পাদক জয়দীপ চ্যাটার্জ্জী জানান, এবছরের তাদের কালীপুজো ৪৯ বছরে পদার্পণ করেছে। মানু‌ষের পাশে দাঁড়াতেই তারা ক্লাব ওই কালীপুজোটি ধুমধাম ভাবে পালন করেন। তিনি জানিয়েছেন, এদিন তারা এলাকার ১৫০ জন দুস্থ মানু‌ষের হাতে বস্ত্র তুলে দেবার ব্যবস্থা করেছেন। প্রথমে ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের সুচনা করা হয়। এরপরই  মন্দিরে ফিতে কেটে সেখানে প্রদীপ পোজ্জলন করে কালী পুজোর আনুষ্ঠানিক সুচনা করা হয়।