২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

কিছু টেকনিক্যাল কারণে বিরোধী দলের মর্যাদা এখনও দেওয়া হয়নি তৃণমূলকে

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: কেন তৃণমূলকে এখনও বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া হয়নি? সাংবাদিক বৈঠক করে তার ব্যাখ্যা দিলেন রাজ্য বিধানসভার সচিব সমরেন্দ্রনাথ দাস। বুধবার এই নিয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূল যে চিঠিটি পাঠিয়েছিল, সেটায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রকে ডেপুটি লিডার ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রস্তাবটি কবে পাস করা হয়েছিল, তার কোনও উল্লেখ নেই। এমনকী, ওই চিঠির সঙ্গে বিধায়কদের স্বাক্ষরও ছিল না। চিঠিটি দেখামাত্রই আমরা বিষয়টি অধ্যক্ষকে জানিয়েছিলাম।”

শোভনদেব বাবুকে তাঁদের দলনেতা নির্বাচন করেছেন, তাঁদের স্বাক্ষর করা প্রস্তাবপত্র বিধানসভার সচিবালয়ে পাঠাতে হবে। এই সংক্রান্ত কোনও প্রস্তাবপত্র বুধবার পর্যন্ত জমা পড়েনি বলে খবর। এই নিয়ে বলতে গিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিরোধী দলনেতা হিসাবে আমিই অধ্যক্ষকে হাত ধরে তাঁর চেয়ারে বসিয়ে দিই। তা সত্ত্বেও কেন এমন ব্যবহার করা হচ্ছে?”এহেন বিতর্কে বিধানসভার সচিবের জবাব, ”যেসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, সেই সংক্রান্ত তথ্য অধ্যক্ষ চেয়ে পাঠাতেই পারেন। বিধানসভায় সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী তিনিই।”

বীরভূমে অবৈধ ৩২টিরও বেশি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কিছু টেকনিক্যাল কারণে বিরোধী দলের মর্যাদা এখনও দেওয়া হয়নি তৃণমূলকে

আপডেট : ২১ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: কেন তৃণমূলকে এখনও বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া হয়নি? সাংবাদিক বৈঠক করে তার ব্যাখ্যা দিলেন রাজ্য বিধানসভার সচিব সমরেন্দ্রনাথ দাস। বুধবার এই নিয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূল যে চিঠিটি পাঠিয়েছিল, সেটায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রকে ডেপুটি লিডার ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রস্তাবটি কবে পাস করা হয়েছিল, তার কোনও উল্লেখ নেই। এমনকী, ওই চিঠির সঙ্গে বিধায়কদের স্বাক্ষরও ছিল না। চিঠিটি দেখামাত্রই আমরা বিষয়টি অধ্যক্ষকে জানিয়েছিলাম।”

শোভনদেব বাবুকে তাঁদের দলনেতা নির্বাচন করেছেন, তাঁদের স্বাক্ষর করা প্রস্তাবপত্র বিধানসভার সচিবালয়ে পাঠাতে হবে। এই সংক্রান্ত কোনও প্রস্তাবপত্র বুধবার পর্যন্ত জমা পড়েনি বলে খবর। এই নিয়ে বলতে গিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিরোধী দলনেতা হিসাবে আমিই অধ্যক্ষকে হাত ধরে তাঁর চেয়ারে বসিয়ে দিই। তা সত্ত্বেও কেন এমন ব্যবহার করা হচ্ছে?”এহেন বিতর্কে বিধানসভার সচিবের জবাব, ”যেসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, সেই সংক্রান্ত তথ্য অধ্যক্ষ চেয়ে পাঠাতেই পারেন। বিধানসভায় সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী তিনিই।”